ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিতর্কিত ১১ জনের পদ শূন্য ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। গতকাল মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি। আজ বুধবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে বলেও জানান তিনি।
গত ১৩ মে ছাত্রলীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পূর্ণাঙ্গ কমিটির নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই দিনই প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া ও পদবঞ্চিতরা প্রতিবাদ জানান। তারা মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন
করতে গেলে অপর অংশ তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে পদবঞ্চিতরা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন, যা এখনো চলছে। পদবঞ্চিতদের অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতে ২৯ মে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। সেখান থেকে আটজনকে রেখে বাকি ১১ জনের পদ চূড়ান্তভাবে শূন্য করার কথা গতকাল জানান ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক।
এদিকে তিন সপ্তাহ পেরিয়েছে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত ও পদপ্রত্যাশীদের অবস্থান কর্মসূচি। দাবি আদায়ের জন্য তারা আবারও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বরাবর স্মারকলিপি দেন তারা। স্মারকলিপি দেওয়ার কয়েক দিন পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করবেন। এরপর দাবি না মানলে অনশনের মতো কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক সংবাদ সম্মেলনে চার দফা দাবিসহ এসব কথা জানান পদবঞ্চিত ও আন্দোলনরতদের মুখপাত্র ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসূচি ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক রাকিব হোসেন।
ওই সময় চারটি দাবির কথা উল্লেখ করেন রাকিব। দাবিগুলো হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যে ১৯টি পদ শূন্য ঘোষণা করেছে, তাদের নাম পদসহ প্রকাশ করা, কমিটিতে অন্য ‘বিতর্কিতদের’ মধ্যে যারা রয়েছেন, তাদের পদ শূন্য ঘোষণা করে নাম প্রকাশ করা ও পদবঞ্চিতদের মধ্য থেকে যোগ্যতার বিচারে ‘বিতর্কিতদের’ স্থানে পদায়ন করা এবং মধুর ক্যান্টিন ও ঢাবির টিএসসিতে তাদের ওপর হামলার বিচার করা।