চ্যারিটেবল মামলায় খালেদার জামিন শুনানির দিন ধার্য করেনি হাইকোর্ট

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেনি হাইকোর্ট। আগামী সপ্তাহে দিন ধার্য করা হতে পারে।

রোববার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এফ এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এই মামলায় জামিনের আবেদন এবং বিচারিক আদালতের নথি উপস্থাপন করা হয়।

বিএনপি চেয়ারপারসনের আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন জামিনের আবেদন এবং বিচারিক আদালতের নথি উপস্থাপন করেন।

জয়নুল আবেদীন জানান, আমরা জামিনের বিষয়ে শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণের জন্য আবেদন করেছিলাম। আদালত বলেছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই শুনানির দিন ধার্য করা হবে।

গত বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াসহ অন্য আসামিদের সাত বছর করে কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের রায় দেয় ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত। পরে দণ্ড থেকে খালাস ও জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া।

গত ৩০ এপ্রিল হাইকোর্ট খালেদার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে এ মামলার বিচারিক আদালতের নথি তলব করার পাশাপাশি নথি পাওয়া সাপেক্ষে আপিলের শুনানি হবে বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের জানান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের পর তাকে রাখা হয় নাজিম উদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। এ মামলায় আপিল শুনানির পর গত বছরের ৩০ অক্টোবর তার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর  করে হাইকোর্ট।

ইতোমধ্যে এ মামলায় দণ্ড থেকে খালাস ও জামিন চেয়ে গত ১৪ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করেছেন খালেদা জিয়া।

গত মঙ্গলবার মানহানি ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের দুটি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসনকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

তার আইনজীবীরা জানান, খালেদা জিয়ার নামে বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ৩৭টি মামলা রয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় জামিন পেলেই তিনি কারামুক্তি পাবেন।