‘প্রখর’ স্মৃতিশক্তি শুধু বর্তমানেই নয়, ভবিষ্যতেও বড় সম্পদ হতে পারে। এর অধিকারী হলে জীবনে সাফল্য পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।
অন্যদিকে, স্মৃতিশক্তি ‘দুর্বল’ হলে হিতে বিপরীত ঘটতে পারে। নানা কারণে স্মৃতিশক্তি ‘দুর্বল’ হয়ে পড়ে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে স্মৃতিভ্রম বলে। এটি হলে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। ফলে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই পিছিয়ে পড়তে হয়। তবে দৈনন্দিন জীবনে কয়েকটি টিপস ও কৌশল অবলম্বন করে সহজেই এই শক্তিটি বাড়ানো যায়।
কী সেই কৌশল-
১. খাদ্য : স্মৃতিশক্তি তীক্ষè রাখার পূর্বশর্তই হচ্ছে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া। তা হতে পারে প্রচুর পরিমাণ ফলমূল, শাকসবজি ও উপকারী চর্বিযুক্ত খাবার (মাছ, বাদাম, অলিভ অয়েল)।
২. ব্যায়াম : যেকোনো ধরনের ব্যায়াম-দৌড়, সঁাঁতার, সাইকেল চালানো, জগিং স্মৃতির জন্য খুবই ভালো। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়াম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। স্মৃতিশক্তিজনিত রোগ নিরাময়েও এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে।
৩. ঘুম : পর্যাপ্ত ঘুম শুধু শরীরের জন্য নয়, মনের জন্যও অপরিহার্য। গবেষণায় দেখা গেছে, ভালো ঘুম স্মরণশক্তি বাড়াতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
৪. ভাতঘুম : গবেষণায় দেখা গেছে, দিনের বেলায় সামান্য ঘুম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে অসাধারণ ভূমিকা রাখে।
৫. স্মৃতি সংক্রান্ত ডিভাইস : কিছু বৈজ্ঞানিক ডিভাইস কোনো কিছু মনে রাখতে সহায়তা করে।
৬. কবিতা/ছড়া : শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ছড়া বা কবিতা পাঠের বিকল্প নেই। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি বড়দের স্মৃতিশক্তি তীক্ষè রাখতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
সুতরাং যদি মনে করেন আপনার স্মৃতিশক্তি হ্রাস পাচ্ছে, তাহলে আর দেরি না করে এসব টিপস ও কৌশলের আশ্রয় নিন।