কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে ছাত্রলীগের কমিটি পুনর্গঠনসহ চার দফা দাবিতে এবার আমরণ অনশন শুরু করেছেন পদবঞ্চিতরা। অবস্থান কর্মসূচির টানা এক মাস তিন দিন পরও দাবি পূরণ না হওয়ায় গতকাল শুক্রবার দুপুর ২টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে
তারা অনশনে বসেন। চার দফা দাবি হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ। শূন্য ঘোষিত ১৯টি পদ ছাড়াও অন্য বিতর্কিতদের নাম-পদবিসহ প্রকাশ, বিক্ষুব্ধদের মধ্য থেকে যোগ্যতার ভিত্তিতে বিতর্কিতদের জায়গায় পদায়ন এবং মধুর ক্যান্টিন (১৩ মে) ও টিএসসিতে (১৯ মে) বিক্ষুব্ধদের ওপর হামলার বিচার করা।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করেন পদবঞ্চিতরা। দাবি মানতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন তারা। এ সময়ের মধ্যে কোনো আশ্বাস না পাওয়ায় ঘোষণা অনুযায়ী আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন তারা।
ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য তানভীর হাসান সৈকত বলেন, আমরা চার দফা দাবির লক্ষ্যে অবস্থান কর্মসূচি করছিলাম। সেই সঙ্গে আজ (শুক্রবার) থেকে আমরণ অনশন চালিয়ে যাব।
কর্মসূচির বিষয়ে ছাত্রলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক সাইফ বাবু বলেন, ‘দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে। আমাদের প্রাণের বিনিময়ে হলেও ছাত্রলীগকে কলঙ্কমুক্ত করতে চাই।’
এ বিষয়ে জানতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বনীকে একাধিকবার কল দিলেও তারা ফোন ধরেননি।
গত ১৩ মে ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হলে বিবাহিত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী, চাকরিজীবী ও বিভিন্ন মামলার আসামিদের পদ পাওয়াসহ নানা অভিযোগ এনে তা পুনর্গঠনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন কমিটিতে স্থান না পাওয়া ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতারা।