পটুয়াখালীর কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের চান্দুপাড়া গ্রামে পল্লি বিদ্যুতের নতুন সংযোগ প্রতিস্থাপনের নামে টাকা তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
নতুন সংযোগ প্রত্যাশীদের কাছ থেকে পাঁচ শ থেকে এক হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
ওই এলাকার ইউপি মেম্বার মাসুদ হাওলাদারের নির্দেশে একই গ্রামের রুহুল আমিন প্যাদা টাকা আদায় করছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।
তাদের অভিযোগ, গ্রামের সহজ-সরল মানুষকে বোকা বানিয়ে হাজার-হাজার টাকা তোলা হয়েছে। হত-দরিদ্র, দরিদ্র মানুষেরা পর্যন্ত রেহাই পায়নি। নতুন বিদ্যুত সংযোগ দেওয়ার লাইন টানার কথা বলে টাকা তোলা হচ্ছে।
চান্দুপাড়া গ্রামের বেল্লাল শরীফ জানান, তাদের পল্লি বিদ্যুতের নতুন সংযোগ দেওয়ার কথা বলে পাঁচ শ টাকা নেওয়া হয়েছে। একই অভিযোগ স্বপন হাওলাদার, জাকির পল্লান, লাবণি বিশ্বাস, সোহরাব আকন, প্রতিবন্ধী ফারুক, বশির হাওলাদার, সুমন, আমির হোসেনের।
অভিযুক্ত রুহুল আমিন প্যাদা বলেন, ‘অফিসারে কইছে মেম্বারের কাছে। আমি গত দুই দিনে (শনি ও রবিবার) সাত/আট হাজার টাহা উডাইছি। রবিবার সন্ধ্যায় মেম্বারের কাছে দিয়া দিছি। হেরা কইলে আইজ ফেরত দিয়া দিমু।’ কোন অফিসার টাকা তুলতে বলেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে সে অফিসারের নাম জানাতে পারেননি তিনি।
লালুয়া ইউপি মেম্বার মাসুদ হাওলাদার বলেন, আমাদের এলাকায় বিদ্যুত লাইন টানার চেষ্টা করছি। টাকা তোলার বিষয় জানতে চাইলে পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘কেডা কইছে’। এক ঘণ্টা পরে ফোন করবেন বলে সংযোগ কেটে দেন।
পল্লি বিদ্যুত সমিতির পরিচালক ইউসুফ আলী জানান, কেউ নতুন সংযোগ দেওয়ার নামে চাঁদাবাজি করলে তার দায়-দায়িত্ব তার। প্রমাণ মিললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কলাপাড়া পল্লি বিদ্যুত সমিতির ডিজিএম প্রকৌশলী শহীদুল ইসলাম জানান, খোঁজ নিয়ে দেখছেন। তিনি পরামর্শ দিলেন যদি কেউ টাকা তোলেন, তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মাইর দেওয়া প্রয়োজন।