ভারতের সমালোচনায় ওয়াকার-শোয়েব

ইংল্যান্ডের কাছে ভারত হেরে যাওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিলেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটাররা। শুধু সাবেকরাই নন, টিম পাকিস্তানও চরম হতাশ।

পাকিস্তান দলের এক সূত্র বলেছে, “ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচের ফলাফল আমাদের হাতে ছিল না। আমরা শুধু জানি, পরের বাংলাদেশ ম্যাচটা জিততে হবে। তা হলেই সেমি-ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। তার জন্য আমরা সেরাটা দেব।”

সেই সঙ্গে পাকিস্তান তাকিয়ে আছে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচের দিকেও। সেই ম্যাচে ইংল্যান্ড হারলে লাভ পাকিস্তানের। টিমের পক্ষ থেকে সরাসরি কিছু না বলা হলেও সাবেক ক্রিকেটাররা কোনও রাখঢাক রাখছেন না। যেমন- ওয়াকার ইউনিস। পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক ও কোচ সরসরি বলে দিয়েছেন, ভারতের ব্যাটিং মোটেই খেলোয়াড়সুলভ ছিল না।

ভারত হেরে যেতেই টুইটারে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ওয়াকার। লিখেছেন-“আপনি কী, সেটা আপনার পরিচয় নয়। আপনি জীবনে কী করেন, সেটাই আপনার পরিচয়। পাকিস্তান সেমি-ফাইনালে উঠল নাকি উঠল না, তা নিয়ে আমার বিশেষ মাথাব্যথা নেই। তবে একটা জিনিস নিশ্চিত, কিছু বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড়ী মানসিকতার একটা বড় পরীক্ষা ছিল আজ (রোববার), যাতে তারা খুব খারাপভাবে ব্যর্থ হয়েছে।”

তবে ওয়াকারকে পাল্টা জবাব দিয়েছেন ভারতের সমর্থকরা। একজন লিখেছেন, “আপনিই তো সেই ক্রিকেটার যিনি অনিল কুম্বলের টেস্টে ১০ উইকেট পাওয়া আটকাতে রান আউট হয়ে যেতে চেয়েছিলেন! আপনার মুখে স্পোর্টসম্যান স্পিরিটের কথা মানায় না।” এমনকী পাকিস্তানের সমর্থকও বলেছেন, “ভারত কী করল তা না ভেবে পাকিস্তান নিজেদের ম্যাচটা নিয়ে ভাবুক।”

ছেড়ে কথা বলেননি পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতারও। তার কথায়, “এই বোধহয় প্রথম পাকিস্তান সমর্থকরা ভারতের জয় চেয়েছিল। ভারত হয়তো চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সেই চেষ্টা পাকিস্তানের কোনও উপকারে লাগল না!”

ভারতীয় বোলারদের সমালোচনা করে শোয়েব বলেছেন, “জনি বেয়ারস্টো আর জেসন রয় শুরুতেই ভারতের বোলারদের ব্যর্থতা দেখিয়ে দিয়েছিল। দুই স্পিনারও খুব খারাপ বল করল। অন্তত ৩০ রান বেশি দিয়ে ফেলেছিল। তিনশোর মধ্যে ইংল্যান্ডকে বেধে রাখতে পারলে ভারত হয়তো রান তাড়া করতে পারতো।”

ব্যাটসম্যানদের দিকেও আঙুল তুলেছেন তিনি। শোয়েব বলেন, “প্রথম দশ ওভারে খুব কম রান উঠেছে। ৩৩৮ তাড়া করতে হলে শুরুতেই একটা বড় রান দরকার ছিল। সেটা তো হলই না। শেষের দিকেও সেই স্লো ব্যাটিংটাই রয়ে গেল। মিডল অর্ডার নিয়েও ভারতকে ভাবতে হবে।”