শিশু শাহীনকে কুপিয়ে ভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৩

সাতক্ষীরায় নৃশংসভাবে মাথা ফাটিয়ে শিশু শাহীনের মোটরভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনায় মাস্টার মাইন্ড নোরিম মোড়লসহ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “শাহীনকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়ে ভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনায় অপর তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে মূল আসামি নাইমুল ইসলাম নাইম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। তখন আসামিভুক্ত হয় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা।

এরই সূত্র ধরে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সরফাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এ চক্রের মূল মাস্টার মাইন্ড নোরিম মোড়ল (৭৮), ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত জাহাঙ্গীর আলম (২৭) ও আজগর হোসেন (২৬)।

বর্তমানে এই মামলা পরিচালনাকারী সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশ আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে সোপর্দ করবে বলে জানান এসপি সাজ্জাদ।

তিনি বলেন, “সোমবার সকালে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বাজিতপুর গ্রাম থেকে ঘটনার মূল আসামি নাইমুল ইসলাম নাইমকে আটক করে সাতক্ষীরা ও যশোর পুলিশ। এ সময় তার স্বীকারোক্তি মতে সেদিন বিকেলে ভ্যানটির ক্রেতা ও ভ্যানের ব্যাটারি ক্রেতাকে আটক করে সাতক্ষীরা পুলিশ।

এ ঘটনার মূল আসামি নাইমুল ইসলাম নাইম (২৪) কেশবপুর উপজেলার বাজিতপুর গ্রামের বাবর আলী মোড়ল।

ভ্যানটি কেনেন সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার আলাইপুর গ্রামের মৃত ধোলাই পাড়ের ছেলে আরশাদ পাড় অরফে নুনু মিস্ত্রী (৬৫)। আর ভ্যানের চারটি ব্যাটারি কেনেন সাতক্ষীরা সদর থানার গোবিন্দকাটি গ্রামের মৃত হামজের আলীর ছেলে বাকের আলী (৪৫)।

পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান বলেন, “বয়োবৃদ্ধ নোরিম মোড়ল মূলত এ চক্রটির নির্মাতা। নোরিম টার্গেট নির্ধারণ করে থাকে। তার টার্গেটের বেশির ভাগই শিশু, বৃদ্ধ, শারীরিকভাবে দুর্বল এরাই। তাদের কৌশলের মধ্যে অন্যতম তারা টার্গেটকে নিজ এলাকা থেকে অন্য প্রশাসনিক এলাকায় নিয়ে গিয়ে আঘাত করা।