নড়াল সদরের বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশু ও নারীসহ ১২ জন আহত হয়েছে। আহতদেরকে নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।
রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের রহমতপুর গ্রামের আক্কাস আলীর মেয়ে আখি (১৭), যদুনাথপুর গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী রেকসোনা (৩০), মিন্টু দাসের ছেলে সাগর দাস (১৩), ফুলশ্বর গ্রামের মিলন মিয়ার ছেলে ইয়াসিন (৫), তারাপদ গাছীর ছেলে সন্দীপ (৪), কালাম মিয়ার ছেলে মেহেদী (১৩), দৌলতপুর গ্রামের দ্বীন মোহাম্মদের স্ত্রী হেনা বেগম (৫৫), আব্দুস ছাত্তারের ছেলে শরিফুল (৩৫), আউড়িয়া গ্রামের ইমদাদুলের ছেলে আকাশ (১০, খায়রুল ইসলামের ছেলে তানভির (৮), কালনা গ্রামের মনির শেখের ছেলে মাসুম (৯), নড়াইল পৌরসভার বরাশুলা গ্রামের রাজুর ছেলে রাজন (১০)।
বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের যদুনাথপুর গ্রামের জাকির হোসেনের স্ত্রী রোকসানা বেগম (৩০) বলেন, সকাল ৮টার দিকে দেখি ওই কুকুর আমাদের ঘরের বারান্দায় শুয়ে আছে। আমি রান্না করার জন্য পাশের ঘরে খড়ি (জ¦ালানি) আনতে যাই। এসময় কুকুরটি উঠে এসে আমার পায়ে কামড় দেয়। আমি চিল্লাচিল্লি করায় বাড়ির সবাই এগিয়ে আসে। এ সময় কুকুরটি দৌড়ে অন্যত্র চলে যায়।
ফুলশ্বর গ্রামের গ্রামের সবুরোননেছা (৬০) বলেন, আমার নাতি ইয়াছিন (৫ বছর) সকাল বেলা খাওয়া শেষ করে বাড়ির পাশের রাস্তায় যায়। সেখান থেকে পাগলা কুকুরে কামড়ায়। আমরা ইয়াছিনের কান্নার শব্দ শুনে রাস্তায় পৌঁছানোর আগেই কুকুরটি পালিয়ে যায়।
নড়াইল সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রোখসানা বিনতে আকবর বলেন, ‘সকাল থেকে পর্যায়ক্রমে কুকুরে কামড়ানোর রোগী এসেছে। আমরা যথাসাধ্য চিকিৎসা সেবা দিয়েছি।’