বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড থেকে এগিয়ে নিউজিল্যান্ড

ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের এই বিশ্বকাপে দারুণ মিল। দুই দলের কেউই কখনও চ্যাম্পিয়ন হয়নি। ফাইনালে পৌঁছেও হারতে হয়েছে। আর এবার তেমনই দুটো দল মুখোমুখি বিশ্বকাপের ফাইনালে যাদের মধ্যে কোনও একটি দল প্রথম বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হবে।

লিগ পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলে ইংল্যান্ডের অবস্থান ছিল তিন নম্বরে। নিউজিল্যান্ড ছিল চার নম্বরে। সেমি-ফাইনালে তারা এক ও দুয়ে থাকা ভারত ও অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছে। দুই দলই রয়েছে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে। কিন্তু লড়াইটা হবে হাড্ডাহাড্ডি। নিউজিল্যান্ড ভারতকে হারিয়েছে ১৮ রানে আর ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ৮ উইকেটে।

ফাইনালে ফেভারিট ধরা হচ্ছে হোম টিম ইংল্যান্ডকেই। যদিও ২৭ বছরে প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছেছে ইংল্যান্ড। ঘরের মাঠে তাই প্রথম বিশ্বকাপ জিততে মরিয়া ইংল্যান্ড। তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে ইংল্যান্ডের থেকে এগিয়ে নিউজিল্যান্ডই।

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড এখন পর্যন্ত খেলেছে নয়টি ম্যাচ। এর মধ্যে কিউইদের পাঁচটি ম্যাচে, ইংল্যান্ডের জয় চারটি ম্যাচে।

ওয়ানডে ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ৯০টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড। এর মধ্যে নিউজিল্যান্ড ৪৩টিতে, ইংল্যান্ড ৪১টিতে জয় পায়। টাই দুটি ম্যাচ; চারটি ম্যাচ পরিত্যক্ত। তবে এবার ফাইনাল বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম।

বিশ্বকাপ ২০১৯ দারুণভাবে শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু পর পর পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে অনেকটাই চাপে পড়ে যায়। কিন্তু দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ায় ভারতকে হারিয়ে। এর পর নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সেমি-ফাইনাল নিশ্চিত করেন ব্রিটিশরা। তিন নম্বরে শেষ করে তারা।

ইংল্যান্ড শেষ বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছেছিল ১৯৯২ সালে। সেই সময় এই দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটারেরই জন্ম হয়নি। অন্যদিকে, ২০১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছিল নিউজিল্যান্ড। কিন্তু প্রতিবেশি অস্ট্রেলিয়ার কাছে হাররে মুখ দেখতে হয় তাদের।

এই ফাইনালে ইংল্যান্ডের মূল অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে পেসার জোফরা আর্চার ও ওপেনার জেসন রয়। নিউজিল্যান্ডের ভরসা বাঁহাতি পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও ব্যাটসম্যান রস টেলরও দারুণ ফর্মে রয়েছে।