টেকনাফে আটকের পর ‘বন্দুকযুদ্ধে ইয়াবা কারবারি’ নিহত

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মুফিদ আলম (৩৯) নামে ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রোববার ভোর ৪টার দিকে টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া বালিকা মাদ্রাসার পেছনে নাফনদীর পাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মুফিদ আলম টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া এলাকার মৃত নজির আহমদের ছেলে। পুলিশের দাবি, নিহত ব্যক্তি একজন মাদক কারবারি। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ৫ হাজার ইয়াবা ২টি দেশীয় তৈরি এলজি ও ১০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, টেকনাফ থানা পুলিশের একটি দল রাতে মাদক বিরোধী অভিযানে যায়। এসময় টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া বাজার থেকে চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি মুফিদ আলমকে আটক করে। পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া বালিকা মাদ্রাসার পেছনে একটি ইয়াবার বড় চালান মজুদ রয়েছে। তার দেওয়া স্বীকারোক্তি মতে পুলিশের অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে আগে থেকে ওৎপেতে থাকা মুফিদ আলমের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে।

পুলিশও পাল্টা গুলি করলে এক পর্যায়ে সংঘবদ্ধ ইয়াবা কারবারিরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মুফিদ আলমকে উদ্ধার করে প্রথমে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যা্ওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় টেকনাফ থানা পুলিশের এএসআই অহিদ, কনস্টেবল রুবেল মিয়া ও মনির হোসেন আহত হয়েছেন। তাদের টেকনাফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মুফিদ আলমের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।

ওসি প্রদীপ বলেন, নিহত মুফিদ আলমের বিরুদ্ধে বেশকিছু মামলা রয়েছে। স্থানীয়ভাবে সে একজন চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি।