বরিস জনসনের ‘ব্রেক্সিট’ মন্ত্রিসভা

দায়িত্ব নেওয়ার এক দিনের মাথায়ই মন্ত্রিসভাকে নতুন করে সাজিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ৩১ সদস্যের মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে থাকা সাজিদ জাভিদ। তিনি পেয়েছেন অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব। এছাড়া স্টিফেন বার্কলেকে দেওয়া হয়েছে ‘চুক্তি ছাড়াই’ ব্রেক্সিট সম্পাদনের পরিকল্পনা সামলানোর দায়িত্ব।

বিবিসির এক খবরে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছেড়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নেওয়া প্রভাবশালী কনজারভেটিভদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে মন্ত্রিসভা সাজিয়েছেন বরিস জনসন। সদ্য সাবেক টেরিজা মের মন্ত্রিসভায় যেখানে ব্রেক্সিট সমর্থক ছিলেন মাত্র ছয়জন সেখানে জনসনের মন্ত্রিসভায় এই সংখ্যা ১২ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে মে’র ২৯ সদস্যের মন্ত্রিসভায় যেখানে নারী   ছিল ৩০ শতাংশ সেখানে জনসনের মন্ত্রিসভায় নারী ২৬ শতাংশ। এছাড়া নতুন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়নি আগের মন্ত্রিসভার ১৭ সদস্যের।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে নতুন করে মন্ত্রিসভায় আনা হয়েছে ডমিনিক রাবকে। আর প্রীতি প্যাটেলকে দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। বেন ওয়ালেস পেয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়; শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে এসেছেন যথাক্রমে গেভিন উইলিয়ামসন ও নিকি মরগান। আন্দ্রিয়া লিডসমকে দেওয়া হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ভার। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের দায়িত্ব পেয়েছেন লিজ ট্রুস। কমন্সের লিডার করা হয়েছে টোরিদের ব্রেক্সিটপন্থি ইউরোপিয়ান রিসার্চ গ্রুপের (ইআরজি) নেতা জ্যাকব রিস মগকে। মে’র মন্ত্রিসভার ম্যাট হ্যানকক ও অ্যাম্বার রুডকে আগের পদেই বহাল রাখা হয়েছে।

নেতৃত্ব দৌড়ে জনসনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী জেরেমি হান্ট জানান, তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে অন্য দায়িত্ব দিতে চাইলেও তিনি রাজি হননি। তার পাশাপাশি শীর্ষ ব্রেক্সিটপন্থি হিসেবে পরিচিত পেনি মরডন্ট ও লিয়াম ফক্সকেও প্রতিরক্ষা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।