গত মঙ্গলবার সকাল ৭টা ৩৩ মিনিটে ফেইসবুকে ‘আলবিদা’ স্ট্যাটাস দিয়ে প্রান্ত দেওয়ানজি হিমেল (১৮) ও তাহফিমা খানম তিন্নি (১৮) নামে দুই তরুণ তরুণী। গতকাল বৃহস্পতিবার
বেলা ১১টার দিকে কাপ্তাই হ্রদ থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা বলছেন, প্রেমের কারণে তারা আত্মহত্যা করেছেন।
হিমেল রাঙ্গামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী ছোটন দেওয়ানজির ছেলে। তিনি ঢাকায় ক্যামব্রিয়ান কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। আর তিন্নি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শিলক এলাকার শহীদ তালুকদারের মেয়ে। আত্মীয়ের বাসায় থেকে রাঙ্গামাটির লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের একই শ্রেণিতে পড়তেন।
কোতোয়ালি থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি জানান, সকালে স্থানীয়রা রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই সড়কের বরগাং এলাকায় হ্রদের পানিতে দুটি লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ প্রথমে মেয়ের এবং পরে ছেলের লাশ উদ্ধার করে। ওসি বলেন, ‘ফেইসবুকে ঘোষণা দিয়ে তারা আত্মহত্যা করেছেন। প্রেমঘটিত কারণেই এটি ঘটেছে। দুজন দুই ধর্মের হওয়ায় প্রেমে সফলতার কোনো সম্ভাবনা নেই দেখেই আবেগে তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।’
ছোটন দেওয়ানজি বলেন, ‘হিমেল-তিন্নি প্রেমের কারণেই আত্মহত্যা করেছে বলে মনে হচ্ছে। আমরা কিছুই জানতাম না। ভেবেছিলাম কোনো কারণে ছেলে নিখোঁজ হয়েছে। কিন্তু কেন এটা করল বুঝতে পারছি না।’
অন্যদিকে তিন্নির আত্মীয় নুরুল আলম মিয়া বলেন, ‘আমার বাসায় থেকে তিন্নি পড়াশোনা করত। কিন্তু কীসের মধ্যে কী হলো কিছুই বুঝলাম না।’