চট্টগ্রামে ৮৩ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নগরীর ডোমখালী খালের ওপর গড়ে ওঠা ৮৩টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। যেখানে একতলা থেকে পাঁচতলা ৯টি ভবন ছিল। গতকাল  মঙ্গলবার নগরীর পাঠানিয়া গোদা এলাকা থেকে শুরু হয়ে প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে খালের ওপর থেকে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নেওয়া মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।

উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সিডিএ’র স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ডোমখালী খালের ওপর থাকা অবৈধ ৮৩টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। যেখানে পাকা, আধাপাকা বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি এক থেকে পাঁচতলা নয়টি ভবন ছিল। এসব অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অনেক ভবন মালিক নিজ উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা ভেঙেছেন বলেও জানান তিনি।

সিডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক আহমেদ মঈনুদ্দীন জানান, ডোমখালী খালের ৭ দশমিক ৮৩৫ একর জায়গা অবৈধভাবে দখলে ছিল। ৫ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে এই খালে ১১৫টি চিহ্নিত অবৈধ স্থাপনা ছিল। এসব স্থাপনার মধ্যে ৮৩টি উচ্ছেদ করা হয়েছে। বাকিগুলো নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নিয়েছে। এছাড়া নগরীর নোয়াখাল ও রাজখালী খাল-২ ও চাক্তাই খালে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট শর্তসাপেক্ষে ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে সিডিএ’র নেওয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।