এক ঝলকে

বিরতির পর ফিরলেন তারা

রাজনীতি নিয়েই এখন বেশি ব্যস্ত থাকতে হয় বলে বিশিষ্ট অভিনেতা আসাদুজ্জামান নূরকে। তাই অভিনয়ে একেবারেই সময় দিতে পারেন না। সর্বশেষ দুই বছর আগে নুহাশ হুমায়ূনের হোটেল অ্যালবাট্রস নাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। এরপর আর তাকে নাটকে পাওয়া যায়নি। জনপ্রিয় অভিনেত্রী তারিন জাহানও এখন অভিনয়ে অনিয়মিত। গত ঈদে তার কোনো নাটক প্রচার হয়নি। বঙ্গবিডি প্রযোজিত হাসান রেজাউলের পরিচালনায় ‘জলছবি’ টেলিফিল্মের মাধ্যমে অভিনয়ে ফিরলেন তারা। গত মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরার একটি শুটিং হাউজে এর প্রথম দিনের শুটিং শেষ হয়েছে। টেলিফিল্মটি রচনা করেছেন শুভাশীষ সিনহা। এতে আসাদুজ্জামান নূরকে একজন কবি চরিত্রে এবং তারিনকে তার সহকারী চরিত্রে অভিনয়ে দেখা যাবে। আগামী ঈদে টেলিফিল্মটি এনটিভিতে প্রচার হবে।

ঘ্রাণেও সেরা

শুধু গান আর সৌন্দর্যেই নয়, সুঘ্রাণ দিয়েও সবাইকে তাক লাগালেন সংগীত তারকা রিহানা। কিছুদিন আগেই মার্কিন র‌্যাপার লিল ন্যাস এক্সকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ‘কোন তারকার সান্নিধ্যে গেলে সবচেয়ে সুন্দর ঘ্রাণ পান তিনি?’ উত্তরে এই তারকা বলেছিলেন, ‘রিহানার’। শুধু লিল ন্যাসই নন, রিহানার ঘ্রাণে মুগ্ধ আরও অনেক তারকাই। এদের মধ্যে আছেন কার্ডি বি, রায়ান সিক্রেস্ট, নিক জোনাসসহ অনেকে। দিন দিন এই তালিকা শুধু লম্বাই হয়ে যাচ্ছে। রিহানার সুবাসের এমন প্রশংসা শুনে মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, এ তারকা কোন সুগন্ধি ব্যবহার করেন? কিন্তু নিজের এই সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকের ব্যাপারে কিছুই প্রকাশ করেননি রিরি (রিহানার ডাকনাম)। তবে ফ্যাশন বিশ্লেষকরা ধারণা করে থাকেন, এই গায়িকা বিভিন্ন উপলক্ষে হয়তো কিলিয়ানের ‘লাভ’ নামের সুগন্ধিটি ব্যবহার করে থাকেন। তবে রিহানার এই সুবাস শুধু সুগন্ধির জোরেই নয়, এর পেছনে ব্যক্তিত্বেরও নাকি একটা প্রভাব আছে এমন ধারণা রিহানার ঘনিষ্ঠজনদের। সম্প্রতি টুইটারে রিহানার সুঘ্রাণের প্রশংসায় পঞ্চমুখ তারকাদের একটি ভিডিও ভাইরাল হলে বিষয়টি সবার নজরে আসে।

শুরু হচ্ছে ‘হিরো : কে হবে মাসুদ রানা?’

বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের এক দুর্দান্ত স্পাই মাসুদ রানা। গোপন মিশন নিয়ে ঘুরে বেড়ায় দেশ-দেশান্তর। বিচিত্র তার জীবন। কোমলে, কঠোরে মেশানো নিষ্ঠুর, সুন্দর এক অন্তর। টানে সবাইকে, কিন্তু বাঁধনে জড়ায় না। অন্যায়-অবিচার দেখলেই রুখে দাঁড়ায়, পদে পদে তার শুধুই মৃত্যুর হাতছানি। গল্পে পড়া, কল্পনায় দেখা ‘মাসুদ রানা’ এমনই। কল্পনার জাল ছিঁড়ে এবার সে সত্যি হবে। কাজী আনোয়ার হোসেনের জনপ্রিয় এই স্পাই চরিত্র নিয়ে নির্মিত হতে যাওয়া সিনেমার জন্য নায়কের খোঁজে আজ শুরু হচ্ছে ‘মেনস ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী চ্যানেল আই হিরো-কে হবে মাসুদ রানা?’ প্রতিযোগিতা। ১২ হাজারের বেশি তরুণের মধ্য থেকে প্রাইমারি স্ক্রিনিং এবং বিভিন্ন ফিজিক্যাল ও ইন্টেলিজেন্স টেস্টের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয় সেরাদের। সিজন শেষেই পাওয়া যাবে কাক্সিক্ষত সেই ‘মাসুদ রানা’কে। এ বিজয়ীকে নিয়েই নির্মিত হবে ‘মাসুদ রানা’ সিরিজের একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এ রিয়্যালিটি শো’র মূল বিচারক ফেরদৌস ও পূর্ণিমার সঙ্গে অতিথি বিচারক রিয়্যালিটি শো’টি সম্প্রচারিত হবে আজ থেকে প্রতি শুক্র ও রবিবার রাত ৮টায় চ্যানেল আইয়ের পর্দায়।

এবার বিজয়ের মৃত্যুর গুজব

প্রিয় তারকার জন্য ভক্তরা কত কিছুই না করেন! কিন্তু প্রিয় অভিনেতার জন্য অন্য কারও মৃত্যুর খবর রটিয়ে দেওয়া! এও কি সম্ভব? বাস্তবে এমন কা-ই ঘটিয়েছেন তেলেগু অভিনেতা অজিতের ভক্তরা। হঠাৎই টুইটারে ছড়িয়ে পড়ে জনপ্রিয় তেলেগু অভিনেতা বিজয়ের মৃত্যুর খবর। তা দেখে উদ্বিগ্ন বিজয়ভক্তদের একটাই প্রশ্ন, ভালো আছেন তো অভিনেতা? খোঁজ নিয়ে জানা যায় সুস্থ আছেন বিজয়। তবে এই গুজব রটাল কারা? অবশেষে জানা যায় এ কাজ বিজয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেতা অজিতের ভক্তদের। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে অজিতের আগামী সিনেমার পোস্টার। বলিউডের সিনেমা ‘পিঙ্ক’-এর তেলেগু রিমেক করতে চলেছেন অভিনেতা। পোস্টার মুক্তির পরই অজিতের ভক্তদের এহেন কুকীর্তি। বিজয়ের অনুরাগীরা পাল্টা জবাবও দিয়েছে। অজিত ভক্তদের এমন কাজের কড়া সমালোচনা করেছেন ক্রিকেটার অশ্বিন রবিচন্দ্রন। ভক্তদের মধ্যে বিবাদ চরমে থাকলেও এখনো এ নিয়ে মুখ খোলেননি অজিত বা বিজয় কেউই। তবে নেটিজেনরা বলছেন, দুই অভিনেতারই উচিত এবার সরব হওয়া এবং ভক্তদের বোঝানো।

২০ বছর পর সাইফ-টাবু

লন্ডন থেকে সদ্য ফিরে এসেছেন বলিউড অভিনেত্রী টাবু। সেখানে তিনি সাইফ আলি খানের হোম প্রোডাকশন ‘জওয়ানি জানেমান’ সিনেমার কাজ করেছেন । এ সিনেমার মধ্য দিয়ে ২০ বছর পর সাইফের সঙ্গে আবারও পর্দায় ফিরছেন তিনি। এর আগে ১৯৯৯ সালের সিনেমা ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ এবং ‘বিবি নাম্বার ওয়ান’-এ শেষবার সাইফ-টাবুকে একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল। টাবু বলেছেন, ‘এটি সম্পূর্ণ অন্য ধরনের সিনেমা। দীর্ঘদিন বাদে সাইফের সঙ্গে কাজ করে বেশ মজা পেলাম। আমরা একসঙ্গে বিবি নাম্বার ওয়ান করেছি। তারপর কিন্তু কখনো আমাদের দুজনের একসঙ্গে কোনো দৃশ্য ছিল না। সাইফের যে জিনিসটা আমার সবচেয়ে পছন্দ তা হলো তার রসবোধ। তাছাড়া এটি যে ধরনের সিনেমা, আমি সেটি করতে চেয়েছিলাম অনেকদিন ধরেই। সিনেমাতে আমার চরিত্রে অভিনয়ের প্রচুর জায়গা রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গোলমাল এগেন, দে দে পেয়ার দে এবং এখন জওয়ানি জানেমান- প্রতিটিতেই আমার চরিত্র বেশ এনার্জেটিক। আর পরিসরও অনেকটা। এই পরিসরে নিজের পোশাক এবং লুক দিয়ে একটা মজার বাতাবরণ তৈরি করতে হবে। অতীতে আমার সিরিয়াস ড্রামার চেয়ে সম্পূর্ণ অন্য ধরনের অভিনয় এটি।’ সিনেমাটিতে প্রথম অভিনয় করছেন পূজা বেদির মেয়ে আলাইয়া। আর টাবু অভিনয় করছেন আলাইয়ার মায়ের ভূমিকায়।

অভিযুক্ত নোবেল

জি বাংলা টিভি চ্যানেলের ‘সারেগামাপা’ রিয়েলিটি শোর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী নোবেল গেয়েছিলেন জেমসের ‘বাংলাদেশ’ গানটি। গানটি পরিবেশনের পর নোবেল বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের চেয়েও এসব গান তাকে ও অনেককে বেশি আলোড়িত করে। এমন মন্তব্যে ফেইসবুকে গত দুদিন ধরে তাকে সমালোচনা করা হচ্ছে জাতীয় সংগীত অবমাননার জন্য। কামাল পাশা চৌধুরী ফেইসবুক পোস্টে লেখেন, ‘নোবেল আওয়ামী পরিবারের ছেলে, সে হিসেবে এই পক্ষের সমর্থন তার তো আছেই। তাই সে জিয়ার নাম সংবলিত জেমসের এই গানটা গেয়ে বিএনপি সমর্থকদেরও প্রিয় হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। এ রকম সস্তা জনপ্রিয়তা লাভের আকাক্সক্ষা অনেক শিল্পীর মধ্যে অতীতে আমরা দেখেছি। গ্র্যান্ড ফিনালেতে এসে এমন একটা গান সিলেকশন করা ছিল তার চরম মূর্খতা। গানটি এত বড় আসরে গ্র্যান্ড ফিনালেতে গাওয়ার মতো মানসম্পন্ন নয়।’ বিজয় চন্দ পোস্ট লেখেন, ‘নতুন কণ্ঠশিল্পী নোবেলকে ক্ষমা করে দেওয়া যায় না! জাতীয় সংগীত নিয়ে বেহুদা কিছু কথা না হয় বলে ফেলেছে। শিক্ষা, মনের মজবুত ভিত্তি, সেল্ফ কন্ট্রোল কোনোটাই ওর নেই। নোবেলও নোলকের মতো খুব অল্প সময়েই হারিয়ে যাবে! আশপাশের ধান্দাবাজরা কিছুদিন তাকে বাঁদর নাচন নাচিয়ে ব্যবসা করে নেবে।’ রিফাত হাসান লিখেছেন, ‘জাতীয় সংগীত নিয়ে কথা বলা যাবে না, কেন?’