রামগঞ্জ হাসপাতালে ৪ দিনে ভর্তি ১১ ডেঙ্গু রোগী

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে হঠাৎ করেই জ্বরের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। তবে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানালেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ৪ দিনে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত ১১জন ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ৭জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদেরকে সাধারণ ওয়ার্ডে অন্য রোগীদের সঙ্গে চিকিৎসা দেওয়ায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অন্যান্য রোগীর আত্মীয়-স্বজনরা।

রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স তানিয়া আক্তার জানান, গত কয়েকদিনে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বরে আক্রান্ত কয়েকজন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ১১জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।

তারা হলেন মো. আনোয়ার হোসেন (৩২), মো. রুবেল (২৭), মো. মুরাদ হোসেন (২৭), মো. ইব্রাহীম (১৮), মহসিন (২৪), মো. মাসুদ (৪০), মো. নাঈম (১৭), রাকিব হোসেন (২২) ও মো. হৃদয় (২২)। এদের মধ্যে ৭জনকে তাদের আত্মীয়-স্বজনরা অন্যত্র নিয়ে গেছেন।

এদিকে রামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আবুল খায়ের পাটোয়ারী, রামগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে গত কয়েকদিনে রামগঞ্জ পুলিশ ব্যারাক, সরকারি হাসপাতাল, উপজেলা পরিষদ এলাকা, বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন এলাকায় মশক নিধন ওষুধ ছিটিয়েছেন।

রামগঞ্জ পৌরসভার  মেয়র আবুল খায়ের পাটোয়ারী বলেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ না থাকায় পৌরসভার সম্পূর্ণ এলাকাতে মশক নিধন ওষুধ ছিটানো সম্ভব না হলেও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ছিটানো হয়েছে।

রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. গুনময় পোদ্দার বলেন, হাসপাতালে বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হওয়ায় বাধ্য হচ্ছি সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসা দিতে। আমরা ওই রোগীদের আলাদা করে মশারি টানিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছি, এতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

বর্তমানে হাসপাতালে ১১জন ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা হচ্ছে। অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন।