ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। ঠিক এই মুহূর্তে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দবিরগঞ্জ থেকে মান্নানগর পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় চলছে ইট দিয়ে জোড়াতালির সংস্কার কাজ।
মঙ্গলবার সকাল থেকে ব্যস্ত এ সড়কের এক লেন বন্ধ্ করে সংস্কার কাজ চলতে থাকায় ১৫ কিলোমিটার সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
মাঝ সড়কে আটকে থাকা এ সব শতশত যানবাহনের হাজার হাজার যাত্রীদের ঘটার পর ঘণ্টা আটকে থেকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আক্তারুজ্জামান জানান, এ মহাসড়কে সংস্কার কাজ চলতে থাকায় এক লেন বন্ধ রয়েছে। ফলে সকাল থেকেই সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার মান্নান নগর, মহিষলুটি, খালকুলা, উল্লাপাড়া উপজেলার দবিরগঞ্জ, হরিণচরা ও গোজা এলাকায় তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। তবে যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি তাড়াশ ও সলঙ্গা থানা পুলিশ কাজ করছে।
রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সরকার ট্রাভেলসের যাত্রী ইউনুছ আলী, ট্রাকচালক সোহেল, পিকআপ চালক আলমগীর হোসেনসহ অনেকেই জানান, ৩/৪ ঘণ্টা ধরে যানজটে আটকা পড়ে আছি। গাড়ি সামনের দিকে কিছুতেই অগ্রসর করা যাচ্ছে না।
তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, এতোদিন সড়ক বিভাগ কী করছিল। এখন সামনে ঈদ। সড়কে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। আর এ সময় সড়কে জোড়াতালি দেওয়া শুরু করেছে সড়ক বিভাগ। এটা সড়ক বিভাগের একটা তামাশা ছাড়া আর কিছুই না।
সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আনোয়ার পারভেজ জানান, রাজশাহী-ঢাকা রুটের হাটিকুমরুল গোলচত্বর থেকে খালকুলা অংশ পর্যন্ত গত ঈদ-উল-ফিতরের আগে সংস্কার করা হয়েছিল। তাড়াশের খালকুলার পর থেকে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার কাছিকাটা পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার সড়কে এখনো বেশ কয়েকটি পয়েন্টে বড় বড় খানাখন্দ রয়েছে। সেগুলোই জরুরি ভিত্তিতে সংস্কার করা হচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার নাগাদ এ কাজ শেষ হবে। তখন আর এ সমস্যা থাকবে না।