২৮ মণ ওজনের সোনা বাবু বাড়ি থেকেই বিক্রি করতে চান খামারি

সোনা বাবু একটি ষাঁড়ের নাম। শনিবার জন্ম তাই আদর করে সোনা বাবু বলেই ডাকেন খামারি ও তার পরিবার। মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার গোপালনগর গ্রামের আবুল হোসেন এ বছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে ষাঁড়টি মোটা তাজা করেছেন। হাঁটে নয় বাড়ি থেকেই উপযুক্ত মূল্যে বিক্রি করতে চান।

মঙ্গলবার বিকেলে সোনা বাবুকে দেখতে গেলে দেখা যায় ষাঁড়টিকে খামারি আদর করছেন। আবুল হোসেন বলেন সোনা বাবুর বর্তমান বয়স ৫ বছর। দাঁত ৫টি। পালের সিদ্ধি জাতের এ ষাঁড়টি খুব কষ্ট করে সন্তানের মতো লালন পালন করেছি।

খামারির স্ত্রী হামিদা বেগম বলেন, প্রতিদিন কাঁচা ঘাস, গমের ভুসি, শুকনা খড়, ভুট্টা, ধান ও গম ভাঙা, ছোলা, চিড়া, আখের গুড়, মালটা, কলা, পেয়ারা, মিষ্টি লাউ, নালি খাওয়ানো হয়েছে।

সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে পরম যত্নে লালন পালন করা ২৮ মণ ওজনের ষাঁড়টি দেখতে বিভিন্ন গ্রাম থেকে ক্রেতারা আসছেন। ক্রেতাগণ সরাসরি খামারি আবুল হোসেনের সঙ্গে কথা বলতে পারেন: ০১৭৩৯ ৮৬৯৮৯৬।

গোপালনগর গ্রামের আলহাজ বলেন, ষাঁড়টি দেখতে অনেক বড়, কিন্তু এমন একটি ঘরে রাখা হয়েছে ঠিকমতো দেখা যায় না। সোনা বাবুর মালিক আবুল হোসেন এ বিষয়ে বলেন, বেশি ওজন থাকায় বহিরে বেড় করা যায় না। আমার ছোট বাড়ি, তাই ছবিতেও ঠিকমতো দেখা যায় না।

তিনি বলেন, ষাঁড়টির উপযুক্ত দাম পেলে বাড়ি থেকেই বিক্রি করতে চাই। যদি কেউ সোনা বাবুকে কিনতে চাইলে আমি ঈদের আগের দিন পর্যন্ত আমার বাড়িতে রেখে গ্রাহকের বাড়িতে পৌঁছে দেব।

সাটুরিয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. সেলিম জাহান বলেন, আবুল হোসেনের সোনা বাবু দেশীয় পদ্ধতিতে বড় করা হয়েছে। শুধু সোনা বাবু নয়, সাটুরিয়ার কম পক্ষে ২০- ৩০ টি গরু রয়েছে বেশি ওজনের। আমরা আশা করছি সোনা বাবু ভালো দাম পাবে।