মির্জাগঞ্জ প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে ১১ পদের ৬টিই শূন্য

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে প্রয়োজনীয় উপকরণ, ওষুধ ও চিকিৎসকসহ জনবল সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে গৃহপালিত প্রাণীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা। ফলে সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে উপজেলার প্রায় ৩২ হাজার পরিবারের হাঁস-মুরগি, গরু-মহিষ, ছাগল-ভেড়া, কবুতর-কোয়েল ও  অন্যান্য গৃহপালিত প্রাণীসহ খামারগুলো।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত মির্জাগঞ্জ উপজেলায় তালিকাভুক্ত গরুর খামার রয়েছে ১২টি। ব্যক্তিগতভাবে গড়ে ওঠা একাধিক খামার তো রয়েছেই। এ ছাড়া ছাগলের খামার ২২, হাঁসের খামার ৭৫, মোরগের খামার (সোনালি) ২০, ব্রয়লার খামার ৫৫ ও গরু মোটাতাজাকরণ খামার রয়েছে ২৫০টি।

এসব প্রাণীর দেখাশোনা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে রয়েছে ১১টি কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদ। কিন্তু দীর্ঘ দিন ভেটেরিনারি সার্জনসহ ৬টি পদ শূন্য। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাসহ মাত্র ৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়েই চলছে অফিসের কার্যক্রম।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গোলাম মাওলা জানান, এখানে অধিকাংশ পদ শূন্য থাকায় মির্জাগঞ্জের বিপুল জনগোষ্ঠীর প্রাণীর চিকিৎসা দিতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। প্রয়োজনের তুলনায় ওষুধ বরাদ্দ কম ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সংকট রয়েছে এখানে।