১৯৮০-এর দশকে বেশ কয়েকটি ছবিতে হৃতিক শিশুশিল্পী হিসেবে ছোটখাটো চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। পরে রাকেশ রোশন পরিচালিত চারটি ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবেও কাজ করেন তিনি। ‘কাহো না প্যায়ার হ্যায়’ (২০০০) ছবিতে তিনি প্রথমবার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবিটি বক্স-অফিসে সাফল্য অর্জন করেছিল এবং এতে অভিনয় করে হৃতিক বেশ কয়েকটি পুরস্কারও পেয়েছিলেন। ২০০০ সালে টেররিজম ড্রামা ফিজা এবং ২০০১ সালে এনসেম্বল মেলোড্রামা ‘কাভি খুশি কাভি গম’ ছবি দু’টি তাকে বিশেষ খ্যাতি অর্জনে সাহায্য করে। এরপর থেকে ঋত্বিকের জয়যাত্রা চলছেই। প্রথম ছবি মুক্তির দুই দশক পরও ঋত্বিক নিজের রাজত্ব ঠিক রেখে চলেছেন সমানতালে।
এদিকে ‘সুপার ৩০’ সিনেমার সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই ঋত্বিক পেয়ে গেলেন নতুন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। আর সেটাও আবার যেমন তেমন স্বীকৃতি নয়, ঋত্বিক নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে সুদর্শন পুরুষ হিসেবে। ক্রিস ইভানস, ডেভিড বেকহাম, রবার্ট প্যাটিনসনকে টপকে তিনি এখন ‘মোস্ট হ্যান্ডসাম ম্যান ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি সংস্থা ঋত্বিক রোশনকে ‘মোস্ট হ্যান্ডসাম ম্যান ইন দ্য ওয়ার্ল্ড’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সেরার স্বীকৃতি পেতে ক্রিস ইভানস, ডেভিড বেকহাম, রবার্ট প্যাটিনসন এবং ওমর বোরকান আল গালাকে টপকে শীর্ষে উঠেছেন বলিউডের এই তারকা অভিনেতা।
ঋত্বিকের গোপন রহস্য সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি হেসে উত্তর দেন, ‘ভালো, এটা ব্রকলির অবদান। মজা করলাম!’ তবে একে তার অর্জন হিসেবে স্বীকার করতে মোটেও রাজি নন তিনি। ঋত্বিক বলেন, ‘আমার মতে, যদি পৃথিবীতে এমনকিছু থাকে যা মানুষের তীব্রভাবে কামনা করা ও সর্বাধিক মূল্যায়ন করা উচিত তা হলো তাদের চরিত্র। একটি ভালো চরিত্র আপনাকে সব সময়ই আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।’