ফরিদপুরে সেতুর রেলিং ভেঙে বাস খাদ পড়ে আটজন নিহতের ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে গঠিত ওই দুই কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে এরই মধ্যে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা পুলিশ।
গত শনিবার দুপুরে সদর উপজেলার ধুলদিতে সেতুর রেলিং ভেঙে কমফোর্ট লাইন পরিবহনের একটি বাস খাদে পড়ে ৮ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়। বাসটি ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের পাটগাতী যাচ্ছিল। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহত ২০ জনের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
কোতোয়ালি থানার ওসি এফ এম নাছিম জানান, এ ঘটনায় রাতে একটি মামলা করেছেন করিমপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপসহকারী পরিদর্শক সুদীপ কুমার চক্রবর্তী। এছাড়া আঙুলের ছাপ নিয়ে পরিচয় শনাক্তের পর আটজনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে জেলা পুলিশ। এদিকে এ ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসলাম মোল্লাকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল ও সড়ক বিভাগের প্রতিনিধি ও বিআরটিএ’র প্রতিনিধি।
হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিরাজুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে ফরিদপুর জেলা পুলিশ। অন্য দুই সদস্য হলেন হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার কে এম আবদুল্লাহ ও আল্লাহদীপুর থানার ওসি মাসুদ পারভেজ।