চতুর কৌশলে আসক্তি সৃষ্টিকারী ব্যথানাশক ওষুধ বিক্রির মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সংকট সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখার দায়ে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসনকে ৫৭ কোটি ২০ লাখ ডলার জরিমানা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমার একটি আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই বাড়তে থাকে জনসনের শেয়ারের দর। বিনিয়োগকারীরা বলছেন, তাদের ধারণার চেয়ে জরিমানার পরিমাণ কম হওয়ায় বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন তারা। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বিবিসি ও রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ওকলাহোমার অ্যাটর্নি জেনারেল রাজ্যে আসক্তি সংকটের মাত্রা বিবেচনা করে জনসন অ্যান্ড জনসনকে ১৭ বিলিয়ন ডলার জরিমানা করার আবেদন করেছিলেন এ মামলায়। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন আদালতে একই ধরনের অভিযোগে বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রায় আড়াই হাজার মামলা রয়েছে, যার প্রথম রায়ে জনসন অ্যান্ড জনসনকে জরিমানা করা হলো। জনসন অ্যান্ড জনসনের এই ব্যথানাশক ওষুধ বাংলাদেশে বিক্রি হয় না। তবে কোম্পানিটির বেবি লোশন, বেবি ক্রিম, বেবি সোপ, বেবি পাউডারসহ বিভিন্ন সামগ্রী বাংলাদেশে ব্যাপকমাত্রায় বিক্রি হয়।
রায়ের পর কোম্পানিটির শেয়ারের দর বাড়ার খবর জানিয়েছে বিবিসির উত্তর আমেরিকা প্রতিনিধি পিটার বওয়েস। হেলথকেয়ার স্ট্র্যাটেজিস্ট ফর ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস কোম্পানি জেফার্সের জারিড হোলজ বলেন, আমাদের ধারণা ছিল যে ১৫০ থেকে ২০০ কোটি ডলার জরিমানা হবে জনসন অ্যান্ড জনসনের। সেখানে ৫৭ কোটি ২০ লাখ ডলারের জরিমানা অনেক কম।