উয়েফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণা করা হবে আজ। লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বা ফন ডাইকের মধ্যে যেকোনো একজনের হাতে উঠবে এই পুরস্কার।
ইউরোপীয় ফুটবলের সবশেষ মৌসুমের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন করা হয় বর্ষসেরা ফুটবলার। ৩১ জুলাই ২০১৮ থেকে ৩১ জুলাই ২০১৯ পর্যন্ত সময়ে ক্লাব ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের পারফরম্যান্সকে মূল্যায়ন করে ইউরোপের বর্ষসেরা পুরস্কার তুলে দেবে উয়েফা।
এ জন্য কিছুদিন আগেই বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচনের জন্য তিনজনের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করে উয়েফা। সেই তালিকায় মেসি-রোনালদোর সঙ্গে আছেন লিভারপুল ডিফেন্ডার ফন ডাইক।
এবার এসেছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। মোনাকোয় আজ বিকেলে জানা যাবে কার হাতে উঠছে এবারের ইউরোপ সেরার মুকুট। এদিন চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের ড্রও অনুষ্ঠিত হবে।
গত এক দশকে ফুটবলে যেকোনো বড় পুরস্কার জয়ে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে আসে মেসি ও রোনালদোর নাম। ২০১৪, ২০১৬ ও ২০১৭ তিনবার উয়েফার সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন পর্তুগিজ সুপারস্টার রোনালদো। আর ২০১১ ও ২০১৫ সালে এ পুরস্কার জেতেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার মেসি। গত মৌসুমেও এ দুজনের ছিল ঈর্ষণীয় পারফরম্যান্স।
ক্লাব ও জাতীয় দলের জার্সি মিলে গত মৌসুমে ৫৮ ম্যাচ খেলেছেন মেসি। এতে আর্জেন্টাইন তারকা গোল করেছেন ৫৪টি। এর মধ্যে বার্সেলোনার জার্সি গায়ে ৫০ ম্যাচে ৫১ গোল করেন, আর আর্জেন্টিনার হয়ে আট ম্যাচে তিন গোল করেন ফুটবলের খুদে জাদুকর। বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা ধরে রাখায় সবচেয়ে বড় অবদান ছিল তার।
অপরদিকে, ক্লাব জুভেন্টাসের হয়ে রোনালদো ৪৩টি ও পর্তুগালের জার্সিতে খেলেছেন চারটি ম্যাচ। এতে ইতালিয়ান ক্লাবের হয়ে ২৮টি ও পর্তুগিজ জার্সিতে তিন গোল করেন। এর মধ্যে জুভেন্টাসের সেরি আ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল তার।
দুইজনের মধ্যে তুলনামূলকভাবে এগিয়ে রয়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা মেসি। তবে ডিফেন্ডার ভারজিল ফন ডাইকের আলোচনাটা সেভাবে মিলবে না। লিভারপুল গত মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে হয়েছিল দ্বিতীয়। শেষ ম্যাচ পর্যন্ত শিরোপা দৌড়ে ছিল তারা। লিগ শিরোপার লড়াইয়ে ম্যানচেস্টার সিটির কাছে হার মানতে হয় তাদের। তবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখায় অল রেড নাম ক্লাবটি। ১৪ বছর পর ক্লাবটিকে এই শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন ডাচ ডিফেন্ডার ফন ডাইক।
ক্লাব ও জাতীয় দলের জার্সিতে গত মৌসুমে ৫৯ ম্যাচ খেলেন ডাইক। রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে ডাইক গোল করেছেন নয়টি ও অ্যাসিস্ট করেছেন চারটিতে। রক্ষণভাগে ছিলেন অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে।