যারা আসামে নাগরিক তালিকা এনআরসি করতে মদদ দিয়েছিলেন, তারাই এখন ‘ভুয়া’ বলে প্রত্যাখ্যান করছেন।
আসামের বিজেপি সভাপতি রণজিৎ কুমার দাস পিটিআইকে বলেন, ‘এই আনআরসি আমরা বিশ্বাস করি না। এটি ভুয়া। নকল সার্টিফিকেট দিয়ে অনেকে যুক্ত হয়েছে। আবার বাদ দেওয়া হয়েছে ২ লাখ আসল ভারতীয়কে।’
স্থানীয় বিজেপি নেতারা মূলত বুঝতে পারেননি বাঙালি হিন্দুদের বাদ দেয়া হবে। তারা এখন দেখছেন, নাগরিকত্ব হারানো ১৯ লাখ মানুষের মধ্য ১১ লাখই হিন্দু!
বাঙালি বুদ্ধিজীবীরা বলছেন, বিজেপি মূলত বাঙালি হটাও আন্দোলনে নেমেছে। শুরুতে মুসলিমদের তোপ দেগে এখন হিন্দুদেরও বাদ দেওয়া হচ্ছে।
ভারত সরকার বলছে, এনআরসি তালিকায় নাম না থাকা নাগরিকদের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে ১২০ দিনের ভেতর আবেদন করতে হবে।
এই বিষয়ে শুনানির জন্য রাজ্যজুড়ে ১ হাজার ট্রাইব্যুনাল গড়ে তোলা হবে। ইতিমধ্যে ১০০ ট্রাইব্যুনাল খোলা হয়েছে। আরও ২০০টি ট্রাইব্যুনাল সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে খোলা হবে।