উপজেলা কমিটি গঠনের জের

কালকিনিতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ২ নেতা আহত

মাদারীপুরের কালকিনিতে ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের জের ধরে নবনির্বাচিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হামলায় পদবঞ্চিত সাবেক দুই ছাত্রলীগ নেতা আহত হয়েছে। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন  করা হয়েছে।

জানা গেছে, গত সোমবার রাতে কালকিনি উপজেলা, পৌর ও কলেজছাত্রলীগের কমিটি একেই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়। এই কমিটি অনুমোদন করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হাসান অনিক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক বায়েজিদ হাওলাদার।

এ কমিটিতে ত্যাগীদের বাদ রেখে অযোগ্যদের দিয়ে গঠন করার অভিযোগ তুলে বুধবার পদবঞ্চিত কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক মো. পলাশ ব্যাপারী ও ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির সরদারের নেতৃত্বে কালকিনি কলেজ চত্বরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

এ সময় ছাত্রলীগের নবনির্বাচিত কমিটির সভিপতি বদিউজ্জামান বাকামিন খানের নেতৃত্বে একটি আনন্দ মিছিল করা হয়। এ দুটি মিছিল মুখোমুখি হলে বাকামিন খান তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে পলাশ ব্যাপারীর মিছিলের ওপর হামলা চালায়। এতে আহত হন পদবঞ্চিত পলাশ ব্যাপারী ও রমজান হোসেন। পরে আহত দুজনকে কালকিনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে কালকিনির থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

আহত পলাশ ব্যাপারী বলেন, আমাদের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে অযোগ্যদের কমিটি করা হয়েছে। এ কমিটি আমরা মানি না। তাই আমরা এর প্রতিবাদে মিছিল বের করলে বাকামিন খান তার লোকজন নিয়ে হামলা করেছে।

উপজেলা ছাত্রলীগের নবনির্বাচিত কমিটির সভিপতি বদিউজ্জামান বাকামিন খান বলেন, পলাশ উপজেলা কমিটিতে পদ না পাওয়ায় কালকিনির যুবলীগ ও কৃষকলীগের সিনিয়র ভাইদের গালাগালি করলে তারা মারধর করে। ছাত্রলীগের কোন নেতাকর্মী মারধর করেনি। 

এ বিষয় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হাসান অনিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে কালকিনির থানার ওসি মো. মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, সামান্য চর থাপ্পর ও কিলঘুষির ঘটনা ঘটেছে। বড় ধরনের কিছু নয়। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছি। আমাদের কাছে এ ব্যাপারে কেউ কোন অভিযোগও করেনি।