ঈশ্বরদীতে ৫ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় ঈশ্বরদীর চরসাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি ব্যাচেলর ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ওই মেয়েটি স্থানীয় ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, প্রতিদিনের মতো বুধবার সকালে পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রী স্কুলের আসছিল। সে সময় স্কুলের পার্শ্ববর্তী একটি বন্ধ ধান-চাতালে মেস করে থাকা এক শ্রমিক ওই স্কুলছাত্রীকে মুখ চেপে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ছাত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ওই শ্রমিক পালিয়ে যায়।
সে সময় উত্তেজিত জনতা ওই মেসে থাকা পাঁচ শ্রমিককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচ শ্রমিককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পরলে হাজার হাজার মানুষ বাড়ির সামনে ভিড় করলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রবিউল ইসলাম ডাবলু ও ছাত্রীর বাবা পৃথকভাবে ঈশ্বরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
স্থানীয়রা জানান, দিয়াড় সাহাপুর এলাকায় অসংখ্য ‘মেস’ গড়ে উঠেছে। সেখানে বহিরাগত হাজার হাজার মানুষ অস্থায়ীভাবে বসবাস করছে। তারা নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। স্কুল ও কলেজগামী ছাত্রীদের তারা নানাভাবে হয়রানি করছে।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাহাউদ্দিন ফারুকী জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ শ্রমিককে থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। ওই স্কুলছাত্রী আটককৃতরা জড়িত নয় বললে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।