মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটে যুগ্ম সচিব আবদুস সবুর মণ্ডলের অপেক্ষায় ফেরি ছাড়তে বিলম্বের কারণে স্কুলছাত্র তিতাস ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় ওই কর্মকর্তার কোনো দোষ খুঁজে পায়নি তদন্ত কমিটি। এ ঘটনায় হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন গতকাল বৃহস্পতিবার অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ফেরিঘাটে দায়িত্বরত তিনজনকে দায়ী করার পাশাপাশি যেকোনো ফেরিঘাটে অ্যাম্বুলেন্স ও লাশবাহী গাড়িকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়াসহ সাত দফা সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার দেশ রূপান্তরকে এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের অবকাশ শেষে প্রতিবেদনটি বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় যুগ্ম সচিব আব্দুস সবুর মণ্ডলকে দায়ী করার মতো কোনো দোষ তদন্ত কমিটি খুঁজে পায়নি। এছাড়া কমিটি সাত দফা সুপারিশ করেছে।’
হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. রেজাউল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কমিটি এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করে। তিতাসের মৃত্যুর ঘটনায় সরকারের এটুআই প্রকল্পে দায়িত্বরত যুগ্ম সচিব আব্দুস সবুর মণ্ডল ও মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলামের কোনো দায় নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।