নারায়ণগঞ্জে ঘুষের ১০ লাখ টাকাসহ চোরাই তেল কারবারি চক্রের এক সদস্যকে আটক করেছে র্যাব। এর আগে অভিযান চালিয়ে তিনটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা থেকে বিপুল পরিমাণ চোরাই পাম অয়েল উদ্ধার করে র্যাব। ওই তেল ছাড়াতে ১০ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করলে ঘুষের টাকাসহ রফিকুল ইসলামকে আটক করে র্যাব।
এ ব্যাপারে গতকাল শুক্রবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সেন্ট্রাল খেয়াঘাট এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে র্যাব।
র্যাব-১১-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মেজর নাজমুছ সাকিব দেশ রূপান্তরকে জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাবের একটি দল গত বৃহস্পতিবার রাতে জেলার সোনারগাঁ থানাধীন ছয়হিষ্যা এলাকার ঘাটে অভিযান চালিয়ে ২২০টি ড্রামে ৪১ হাজার ৮০০ লিটার চোরাই পাম অয়েল উদ্ধার করে। এ ছাড়া চোরাই তেলের কারবারে ব্যবহৃত তিনটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার উদ্ধার করা হয়। এ সময় চোরাই তেলের বিষয়টি আইনের আওতায় না আনার জন্য রফিকুল ইসলাম র্যাব সদস্যদের ১০ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করে। ঘুষের টাকাসহ রফিককে আটক করে র্যাব সদস্যরা। জিজ্ঞাসাবাদে রফিক স্বীকার করে সে দীর্ঘদিন যাবৎ চোরাই পাম অয়েলসহ অন্যান্য ভোজ্য ও জ্বালানি তেল কেনাবেচা করে আসছে।
রফিককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রফিকুল ইসলাম (৪২) সোনারগাঁয়ের ছয়হিষ্যা গ্রামের বাসিন্দা। ছয়হিষ্যা ঘাটে বেশ কয়েকটি চোরাই পাম অয়েল বেচাকেনার চক্র গড়ে উঠেছে। চক্রটি ছয়হিষ্যা ঘাট এলাকায় চলন্ত জাহাজ থেকে কৌশলে দীর্ঘদিন ধরে পাম অয়েলসহ অন্যান্য তেল চুরি করে আসছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।