‘বহুভাষায় সাক্ষরতা, উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ উদযাপিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। ব্যক্তি, সম্প্রদায় ও সমাজে সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরতে ১৯৬৫ সালে ইউনেস্কো ৮ সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
দিবসটি উপলক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিবসটি উপলক্ষে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেছেন, শতভাগ সাক্ষরতা অর্জনে সাক্ষরতা কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। তিনি ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০১৯’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেছেন, ‘বর্তমান সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় দেশে সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা সাক্ষরতা ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সংক্রান্ত উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে দেশকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে চাই।
কর্মসূচি
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সকাল ৮টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে র্যালি নিয়ে যাবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। এই র্যালিতে অংশ নেবেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সকল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, ঢাকা ও ঢাকার বাইরের শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী। এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।