সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের শিয়ালকোল গ্রামে রবিবার রাতে নানি ওয়াজেদা বেগমকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে তারই নাতি সিয়াম (২০)।
এ ঘটনার পর নিজের দোষ স্বীকার করে ঘাতক নাতি থানায় হাজির হয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।
নিহত ওয়াজেদা বেগম (৫০) ওই গ্রামের আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী ও সিয়াম (২০) একই ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।
এ বিষয়ে সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত সিয়াম নিহত ওয়াজেদা বেগমের বড় মেয়ের ছেলে। বেকার অবস্থায় সম্প্রতি সে বিয়ে করেছে। প্রায়ই নানীর কাছ থেকে সে টাকা নেয়।
রবিবার সন্ধ্যায় সে আবারও তার নানীর কাছে টাকা চাইতে যায়। এ সময় নানি তাকে আর টাকা দিতে পারবে না বলে জানায়। এতে সে ক্ষুব্ধ হয়ে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে নানিকে গুরুতর আহত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা আহত অবস্থায় ওই বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরো জানান, নিহত বৃদ্ধার মাথা, মুখ ও কানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এর পরই পুলিশ সিয়ামকে ধরতে মাঠে নামে। বিষয়টি টের পেয়ে গ্রেপ্তার এড়াতে রাত ১১টার দিকে সে নিজেই থানায় হাজির হয়ে নিজের দোষ স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করে। তাকে আটক করে রাতে থানা হেফাজতে রাখা হয়।
সোমবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় মামলা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।