টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু ভারতের

ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারতের রেকর্ড খুব বাজে। ছয়ের মধ্যে ছয় সিরিজই হেরেছে তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ভারত শেষবার ২০১৫ সালে তিন ম্যাচের সিরিজ হেরেছে ০-২ ব্যবধানে। একটা ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছিল। ধর্মশালায় আজ যে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হচ্ছে, পরিসংখ্যান এবং র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়ারা তিন নম্বরে, ভারত চারে।

অস্ট্রেলিয়াতে আগামী বছরের অক্টোবরে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তার আগে ১৩ মাসে ভারত খেলবে ২৭টা টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। ঐ বিশ্বকাপ প্রস্তুতির জন্য ফেব্রুয়ারি থেকে টেস্ট খেলবে না ভারত। বোঝাই যাচ্ছে ধর্মশালায় এই ম্যাচ দিয়েই ভারত শুরু করছে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচ। অধিনায়ক বিরাট কোহলি বলেছেন, ‘আমরা গত দু’বছর ঘরোয়া ক্রিকেট এবং আইপিএল টি-টোয়েন্টিতে যারা ভালো করেছে তাদের সুযোগ দিতে চাই। আমরা যথাসাধ্য একটা ভারসাম্যপূর্ণ দল খুঁজে পেতে চাই। অন্য দলগুলো যদি নয় নম্বর পর্যন্ত ব্যাটিং করতে পারে তাহলে আমরা কেন পারব না। যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক তা সামনের দিকে তাকিয়েই নেওয়া হবে। প্রথম দুই তিনটা টি-টোয়েন্টি সিরিজ আমাদের পরিস্থিতি বুঝতে সাহায্য করবে। অবশ্য ২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের রোডম্যাপ আছে আমাদের মনে।’

২০০৭ সালে পাকিস্তানকে ফাইনালে হারিয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল ভারত। এরপর ২০১৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেও হারাতে পারেনি শ্রীলঙ্কাকে। সম্প্রতি ভারত উইন্ডিজের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে। সেখানে পেস বোলার নবদিপ সাইনি ভালো করেছিলেন। ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও খেলবেন তিনি। দলে আছেন ওয়াশিংটন সুন্দরের মতো তরুণ অলরাউন্ডারও। দলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য কুলদীপ যাদব আর যুজবেন্দ্র চাহলকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। স্পিন আক্রমণ চলানোর জন্য দলে থাকছেন লেগস্পিনার রাহুল চাহার, ডানহাতি অফস্পিনার অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দর এবং দুই বাঁহাতি স্পিনার ক্রুনাল পান্ডিয়া ও অভিজ্ঞ রবীন্দ্র জাদেজা। জাসপ্রিত বুমরা এবং ভুবনেশ্বর কুমারকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে এই সিরিজে।