‘জব সিকার’ তরুণ-তরুণী নয়, ‘জব গিভার’ তরুণ-তরুণী চাই: পলক

আমরা শুধু ‘জব সিকার’ তরুণ-তরুণী চাই না বরং ‘জব গিভার’ তরুণ-তরুণী চাই উল্লেখ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘গতবারের স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ প্রতিযোগিতায় ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২১০০টি আবেদন পেয়েছিলাম। সেখান থেকে ৩০টি এবং সর্বশেষ ১০টি চ‚ড়ান্ত করে তাদের ১০ লাখ টাকা করে সরাসরি অনুদান দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি বাকি ২০টি স্টার্টআপকে গ্রুমিংয়ের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। যেখান থেকে তারা তরুণ উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ পাবে।’

রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে ‘আমার উদ্ভাবন, আমার স্বপ্ন’ এই সেস্নাগানকে সামনে রেখে দ্বিতীয়বারের মতো শুরু হওয়া ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ’ শীর্ষক জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশের বয়স ৩৫ বছরের নিচে। প্রায় সাড়ে চার কোটি ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করছে। প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ তরুণ-তরুণী কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছে। তাদের জন্য কর্মসংস্থানের দরকার আছে। কিন্তু শুধু চাকরি দিয়ে বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থান করা যাবে না। আমরা আইসিটি ডিভিশন থেকে তরুণ-তরুণীদের জন্য সারা জীবনের আহারের সংস্থান তৈরি করতে পারে এমন কর্মসংস্থান তৈরি করতে চাই।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রতিটি স্টার্টআপকে আইডিয়া ফান্ড থেকে অর্থায়ন করি, মেন্টরিং করি। তাদের স্বপ্নপূরণের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করি। আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ২০২১ সালের মধ্যে এক হাজার স্টার্টআপ আইডিয়া প্রজেক্ট থেকে দেশকে উপহার দেব।’

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো দেশের অগ্রগতি এবং উন্নয়নে অবদান রাখতে যাদের উদ্ভাবনী পরিকল্পনা আছে এমন তরুণ উদ্যোক্তা খুঁজে বের করা। সারা দেশের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে নিবন্ধনের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন।

এছাড়া দেশের ১০০টির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্থাপিত বুথের মাধ্যমেও রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ’র দ্বিতীয় অধ্যায়ের নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি গতকাল থেকে শুরু হয়েছে। পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে এর সমাপনী আয়োজন অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠেয় ক্যাম্পেইন ভেন্যু থেকে ৭৫টি প্রকল্প বাছাই করা হবে। সেখান থেকে বিজয়ী ১০টি স্টার্টআপকে অনুদান দেওয়া হবে ১০ লাখ টাকা করে।

সে সঙ্গে শীর্ষ ৩০-এ থাকা অপর ২০ স্টার্টআপও রানারআপ হিসেবে আইডিয়া প্রকল্প থেকে গ্রুমিং ও বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ পাবে।