অস্কারজয়ী হলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্সকে তার বাগদত্তা কুক ম্যারোনির সঙ্গে গত ১৬ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কের একটি ম্যারেজ ব্যুরোতে দেখা গিয়েছে। আর এ কারণে ধারণা করা হচ্ছে গোপনে বিয়ে করে ফেলেছেন এই জুটি। ম্যানহাটন ম্যারেজ ব্যুরোতে যাওয়ার সময় তাদের সঙ্গে দুজন নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন এবং আরেকজন বন্ধু ছিলেন। এই সময় জেনিফার লরেন্স ছাই রঙের ব্লেজার ও জিন্স পরেছিলেন। তার হাতে একটি কাগজ ধরা ছিল।
এক টুইটার ব্যবহারকারীর টুইটে গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘যখন আপনি ম্যারেজ লাইসেন্স নিতে গিয়ে দেখেন আপনার চোখের সামনে জেনিফার লরেন্স বিয়ে করে ফেলেছেন।’
গত বসন্তে প্রেম শুরু করেছিলেন জেনিফার লরেন্স ও কুক ম্যারোনি। ছয় মাস প্রেম করার পর গত ফেব্রুয়ারিতে বাগদান সম্পন্ন করেছে এই জুটি।
এদিকে ২০১৪ সালে জেনিফার লরেন্সসহ সেলেনা গোমেজ, কেট আপটন, কেলি ব্রুকের মতো তারকাদের নগ্ন ছবি আই-ক্লাউড হ্যাক করে ফাঁস হয়েছিল। প্রথমসারির শতাধিক অভিনেত্রীর হাজার দশেক নগ্ন ছবি ফাঁস হয়েছিল তখন। এ নিয়ে বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল তাদের। গণমাধ্যমের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে অসংখ্যবার। কিন্তু ব্যাপারটি নিয়ে অনেকেই কথা বলতে রাজি হননি। অবশেষে ঘটনার এতদিন পর গত সোমবার হলিউড রিপোর্টারের এক অনুষ্ঠানে বিষয়টি নিয়ে আবারও কথা বলেছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। অনুষ্ঠানে লরেন্স বড় একটি কৌতূহলের জবাব দিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে। ওই সময়কার অনুভূতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমাকে এখনো সে পরিস্থিতি সামলাতে হচ্ছে। সে সময় মনে হচ্ছিল আমাকে যেন পৃথিবীর সবাই একসঙ্গে ধরে বেঁধে মানসিকভাবে গণধর্ষণ করছে।’
‘দ্য বার্নিং প্লেইন’খ্যাত দুইবারের অস্কারজয়ী অভিনেত্রী বলেন, এটা যে কারও জন্যই ভয়াবহ রকমের বিব্রতকর অবস্থা। মনুষ্যত্ববোধের অভাব থেকেই ছবিগুলো অনলাইনে ছড়িয়ে দিয়েছিল। আর অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া মানে পৃথিবীর সবার কাছে সে ছবি পৌঁছে যাওয়া। তিনি বলেন, ‘যখন মানুষ ফোন নিচু করে আপনার নগ্ন ছবি দেখে, সে সময় আপনি তাদের কাছে বারবিকিউ ছাড়া আর কিছুই নন।’