ঝগড়া থামাতে গিয়ে মামির কাঁচির আঘাতে প্রাণ গেল কলেজছাত্রীর

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার বাহেরকুচি গ্রামে মা ও মামির মধ্যে ঝগড়া থামাতে গিয়ে কাপড় কাটা কাঁচির আঘাতে তাসনিম আক্তার নিপা (১৭) নামে এক কলেজছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি জেনারেল অ্যান্ড কিডনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতাল থেকে কলেজছাত্রীর মরদেহ নিজ বাড়িতে আনা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে।

এর আগে গেল ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে মা রোমেলা বেগম ও মামি রহিমা আক্তারের মধ্যে ঝগড়া থামাতে গেলে মামির হাতে থাকা কাঁচির আঘাতে গুরুতর আহত হন কলেজছাত্রী নিপা।

সিরাজদীখান উপজেলার কেবি ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী তাসনিম আক্তার নিপা। তিনি একই উপজেলার বাহেরকুচি গ্রামের মো. দ্বীন ইসলামের মেয়ে। রহিমা আক্তার কলেজছাত্রীর মামা আবু তাহের হাওলাদারের স্ত্রী।

সিরাজদীখান থানার ওসি মো. ফরিদউদ্দিন জানান, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে কলেজছাত্রীর মা ও মামির মধ্যে ঝগড়া বাধে। ঝগড়া থামাতে এগিয়ে যায় ছাত্রী। এক পর্যায়ে মামির হাতে থাকা কাপড় কাটার কাঁচি দিয়ে ছাত্রীর পিঠে আঘাত করলে রক্তাক্ত জখম হয়। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে ধানমন্ডি জেনারেল অ্যান্ড কিডনি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে মারা যায় কলেজছাত্রী। নিহত ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা মো. দ্বীন ইসলাম মামা আবু তাহের হাওলাদার ও মামি রহিমা আক্তারসহ ৫ জনকে অভিযুক্ত করে সিরাজদীখান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।