সোনাগাজীতে এএসআই ক্লোজড

ধর্ষণের শিকার বিধবাকে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ

সোনাগাজীতে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার বিধবা নারী থানায় মামলা করার পর গত তিন দিন পুলিশ হেফাজতে থানায় আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন। ওই নারী জানান, থানায় মামলা করার পর ধর্ষকের নাম উল্লেখ করায় তারা তাকে নির্যাতন করে। অভিযুক্তদের নাম বাদ দিয়ে পুলিশ ‘অজ্ঞাত’ বলে চালিয়ে দেয়।

অভিযুক্তের তালিকায় পুলিশ সদস্য রয়েছে বলেও জানান তিনি। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোনাগাজী মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সুজন চন্দ্র দাসকে ফেনীর পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফেনী সাইকা হেলথ ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গেলে এই প্রতিনিধির সঙ্গে কথা হয় ওই নারীর। গত রবিবার রাতে ও পরদিন সোমবার দুদফা ধর্ষণের শিকার ওই নারী গত মঙ্গলবার থানায় মামলা করলে তাকে আর বাড়িতে যেতে দেয়নি পুলিশ। তাকে থানায় আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ করেন কনস্টেবল তানিয়া ও এএসআই সুজনের বিরুদ্ধে। এ সময় তিনি নিজের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখান।

প্রতিপক্ষের হামলার শিকার বিধবা ওই নারী মামলা করতে গিয়ে থানার সামনে রহিমা সুন্দরী (৪০) নামে এক নারী প্রতারকের খপ্পরে পড়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার রাতে মামলা হলে পুলিশ সঞ্জু শিকদার (৩৫) ও রহিমা সুন্দরীকে গ্রেপ্তার করে। ওই নারী জানান, গত রবিবার গভীর রাতে শম্ভু শিকদার, আফলাছসহ পাঁচজন রহিমা সুন্দরীর সহযোগিতায় তার ঘরে ঢুকে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মঈনউদ্দিন আহমেদ এএসআই সুজনকে প্রত্যাহারের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ নির্যাতন করেনি। ওই নারীর কথাবার্তা অসংলগ্ন মনে হয়েছে।