এখন থেকে আর গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিফল্টভাবে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত ভয়েস রেকর্ড সংরক্ষণ করবে না বলে ঘোষণা করেছে কর্র্তৃপক্ষ। এখন থেকে ভয়েস রেকর্ড করতে ব্যবহারকারীদের গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট সেটআপ করার সময় নতুন ভয়েস ও অডিও অ্যাক্টিভিটি প্রোগ্রাম বেছে নিতে হবে। এই ডেটা গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টে কোনো ব্যক্তির ভয়েস শনাক্ত করার জন্য আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা গুগলের ক্ষমতাকে উন্নত করতে ব্যবহার করা যেতে পারে। গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট শিগগির আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যাসিস্ট্যান্টের ‘হেই গুগল’ কমান্ডটি বন্ধ করে দেবে।
প্রতিষ্ঠানটি এক ব্লগের পোস্টে জানিয়েছে, আপনার ডেটা কীভাবে ব্যবহৃত হয় তা আপনার সহজভাবে বোঝার জন্য আমরা এটা করেছিলাম। সেজন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
কর্টানা, সিরি, আলেক্সা এবং অ্যাসিস্ট্যান্টের মতো এআই অ্যাসিস্ট্যান্টরা লেবেলযুক্ত ডেটা দ্বারা প্রশিক্ষিত কথোপকথন এআই সিস্টেমগুলোকে উন্নত করতে ভয়েস রেকর্ডিং ব্যবহার করে। গুগল জানিয়েছে, জুলাইয়ে বিষয়টি নিয়ে বেশ সমালোচনা হওয়ার পর তারা রেকর্ডিং শোনার কাজ বন্ধ করেছে।
এমনকি জুলাইয়ে রেকর্ডিং শোনার বিষয়টি ফাঁস হলে গুগল জানায়, গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টকে ব্যবহারকারীরা কী বলে তার সবকিছুই শোনেন চুক্তিভিত্তিতে কাজ করা কর্মীরা। রেকর্ডিং শুনে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের ভাষা, উচ্চারণ ও আঞ্চলিক ভাষা শনাক্তকরণের দক্ষতা বাড়ানো হয়।
এ বছর ক্যালিফোর্নিয়া এবং ইলিনয়ের মতো রাজ্যের আইনপ্রণেতারা ব্যাপারটি বিবেচনা করেন। তারা বলেন, এআই অ্যাসিস্ট্যান্টের নির্মাতাদের অবশ্যই ব্যবহারকারীদের ভয়েস ডেটা রেকর্ড করার আগে তাদের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন।
গত সপ্তাহে পোর্টাল টিভি এবং আরও দুটি নতুন ডিভাইস চালু হওয়ার সময় ফেইসবুকের পোর্টাল টিম স্বীকার করেছে, এটি ব্যবহারকারীর ভয়েস রেকর্ডিংগুলো সংগ্রহ করে। টেকশহর