রামগঞ্জ মধুখালীতে পুড়েছে ঘর গুদাম দোকান

অগ্নিকাণ্ডে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নয় বসতঘর এবং ফরিদপুরের মধুখালীতে পুড়ে গেছে পাটের এক গুদাম এবং আটটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

রামগঞ্জের করপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্যামপুর গ্রামের জমিরপুত্রের বাড়িতে (ভেজালের বাড়ি) অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে। এতে পুড়ে গেছে নয়টি বসতঘর। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় বাহার মিয়ার ঘরের বিদ্যুতের মিটার থেকে আগুন শুরু হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

দিনমজুর বাহার মিয়া জানান, বিদ্যুতের মিটার থেকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়ে পুরো ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই পার্শ¦বর্তী ঘরগুলোতে আগুন লেগে যায়। আগুনে বাবুল মিয়ার ব্যবসার কাজে ঘরে রাখা লাখ টাকাসহ কৃষক শাহাজাহান মিয়া, নজরুল ইসলাম, হারুন, আবদুর রহিম, রিকশাচালক রাছেল, শাহআলম, সালেহ আহম্মেদের বসতঘর সম্পূর্ণ ছাই হয়ে যায়। খবর পেয়ে রামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

অন্যদিকে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার মেগচামী মৃধা বাজারের একটি পাটের গুদামসহ আটটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাই হয়ে গেছে। গত বুধবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় মেগচামী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসান আলী খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাত ২টার দিকে টহলরত পুলিশ বাজার এলাকায় এসে বাচ্চুর পাটের গুদাম ঘরে আগুন দেখতে পেয়ে মধুখালী ফায়ার সার্ভিস ও বালিয়াকান্দি ফায়ার সার্ভিস অফিসে খবর দেয়। এর মধ্যে পুড়ে যায় দোকানগুলো।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত শফিউল আলম মোল্যা জানান, তার দুটি ওয়ার্কশপ ও কাঠ সাইজ করার মেশিন পুড়ে গেছে। এছাড়াও সুশান্ত কুমারের ফার্নিচারের দোকান, ইছাক মোল্লার ফার্নিচারের দোকান, আকাশ ও রাসেল মিয়ার গার্মেন্টসের (কাপড়ের) দোকান, সৌরভ মোল্যার স্যানিটারি দোকান এবং বাচ্চু শেখের পাট গুদাম পুড়ে যায়।