সিরিয়ায় হামলা চালালে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানকে চড়া মূল্য দিতে বাধ্য করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রভাবশালী সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম।
মিডল ইস্ট আই জানায়, সিরিয়ায় ‘সেফ জোন’ প্রতিষ্ঠায় কুর্দি-অধ্যুষিত এলাকায় সামরিক অভিযান শুরু করে প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়েছে তুরস্ক। এর মধ্যে এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র লিন্ডসে গ্রাহাম।
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র কুর্দিদের রক্ষায় তিনি ট্রাম্প প্রশাসনকে সমালোচনা করেও করেন। বুধবার লিন্ডসে গ্রাহাম বলেন, ‘আমাদের কুর্দি মিত্রদের জন্য প্রার্থনা করুন। ট্রাম্প প্রশাসন নির্লজ্জভাবে যাদের পাশ থেকে সরে গিয়েছে।’
সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট-আইএস জঙ্গিদের পরাজিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ছিল কুর্দি যোদ্ধারা। সেই প্রসঙ্গ তুলে এ রিপাবলিকান সিনেটর বলেন, তুরস্কের এই অভিযান আইএসের পুনর্বাসন নিশ্চিত করবে।
এদিকে তুরস্কের এই অভিযানের কড়া সমালোচনা করেছে তিক্ত সম্পর্ক থাকা সৌদি আরব ও মিসরও। এ ছাড়া সৌদি জোটের আরব মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত এবং বাহরাইনও সিরিয়ায় তুরস্কের এই সামরিক অভিযানের সমালোচনা করেছে।
কানাডা, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও ডেনমার্কও এই সামরিক অভিযানের সমালোচনা করেছে। এই ‘সেইফ জোন’ প্রতিষ্ঠায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন কোনো আর্থিক সহযোগিতা দেবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জোটটির নির্বাহী প্রধান ক্লদ জাঙ্কার। তিনি এই অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
এদিকে কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় তুরস্কের এই সামরিক অভিযানে বিরুদ্ধে বসে নেই পশ্চিমা দেশগুলোও। ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে। বৃহস্পতিবার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।