ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার সময় পড়ে মা-ছেলে জখম

যশোর শহরে মোটরসাইকেল আরোহী ছিনতাইকারীদের উৎপাত বেড়েছে। গতকাল শুক্রবার বেলা ১টার দিকে যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাশে মুজিব সড়কে ছিনতাইকারীরা রিকশাযাত্রী এক নারীর ব্যাগ টান দিলে ওই নারী ও তার কোলে থাকা শিশুসন্তান রাস্তায় পড়ে আহত হন।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন দিপালী বিশ্বাস ও তার ছেলে রিকো বিশ্বাস। দিপালী মাগুরার শালিখা উপজেলার আঠারোখাদা গ্রামের উত্তম বিশ্বাসের স্ত্রী।

দিপালীর ভাই মিঠুন বিশ্বাস জানান, বোন দিপালী ও দুই ভাগ্নে রিকো ও আপনকে নিয়ে শহরের চাঁচড়া মোড় থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশায় করে উপশহরের বাসস্ট্যান্ডে যাচ্ছিলেন। শহরের জজ আদালতের কাছে পৌঁছলে মোটরসাইকেলে আসা দুই ছিনতাইকারী তার বোনের ব্যাগ টান দেয়। এ সময় তার বোন ও ছোট ভাগ্নে রিকো রিকশা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়। তাদের চিৎকারে পথচারীরা এগিয়ে এলে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। তার ভাগ্নের মাথায় আঘাত লেগেছে। বোন হাত ও হাঁটুতে আঘাত পেয়েছেন। তাদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কাজল মল্লিক জানান, আঘাত গুরুতর হলেও তারা শঙ্কামুক্ত।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে যশোর পৌরসভার সামনে মোটরসাইকেল আরোহী ছিনতাইকারীরা ঊষা আক্তার (২১) নামে এক রিকশা আরোহীর ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ সময় তিনিও রিকশা থেকে পড়ে আহত হন। ঊষা শহরের চাঁচড়া ডালমিল এলাকার টুকু রহমানের মেয়ে।

এর আগে গত ১৯ আগস্ট রাতে শহরের ঈদগাহর সামনে সাহাবুদ্দিনের খান নাসিম নামে এক ব্যক্তির ব্যাগ মোটরসাইকেল আরোহী ছিনতাইকারীরা নিয়ে যায়। এছাড়া গত ১৫ দিনে যশোর ঈদগাহর পাশ থেকে দুপুরে এক মহিলার ব্যাগ ও যশোর মুজিব সড়কের অন্যন্যা ঘোষ ডেইরির সামনে থেকে এক পথচারীর মুঠোফোন একইভাবে ছিনতাই হয়। শহরে একের পর এক ছিনতাইয়ের বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করার জন্য অভিযান চলছে।