নাগরিক নিরাপত্তা বিবেচনায় বগুড়া শহরের অপরাধপ্রবণ ১২ ওয়ার্ডে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। পৌরসভার ২১টি ওয়ার্ডের মধ্যে মূল শহরের (পুরনো ১২টি ওয়ার্ড) গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো ক্লোজ সার্কিট টেলিভিশনের (সিসিটিভি) আওতায় আনা হচ্ছে। পুলিশের অনুরোধে পৌরসভার পক্ষ থেকে এই ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রতি ওয়ার্ডে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ টাকা।
পৌরসভার প্রকৌশল শাখা থেকে জানা গেছে, প্রতিটি ওয়ার্ডে ৩ লাখ টাকা হিসাবে ১২ ওয়ার্ডের জন্য ৩৬ লাখ টাকার ব্যয় ধরা হয়েছে।
পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মূল শহরের ব্যস্ত, গুরুত্বপূর্ণ ও অপরাধপ্রবণ হিসেবে অর্ধশতাধিক এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে শহরে উত্তরে বিসিক শিল্পনগরী, কলেজ বটতলা, মহিলা কলেজ মোড়, কালিতলা, উপশহর, হাকির মোড়, গোয়ালগাড়ি, নামাজগড় মোড়, নূরানী মোড়, দত্তবাড়ি, বড়গোলা, সাতমাথা, ফতেহ্ আলী মোড়, চেলোপাড়া, শহরের ভেতরের তিনটি রেলগেট, চাঁদনী বাজার (কাঁঠালতলা), চকযাদু মোড়, বাদুড়তলা মোড়, শহীদ টিটু মিলনায়তন মোড়, ইয়াকুবিয়া স্কুল মোড়, পিটিআই মোড়, খান্দার মোড়, সেউজগাড়ি মোড়, বকশিবাজার, জলেশ্বরীতলার কালীবাড়ি, ঠনঠনিয়া বাসস্ট্যান্ড, লতিফপুর কলোনি ও স্টেডিয়াম এলাকা উল্লেখযোগ্য।
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হেনা মোস্তফা কামাল জানান, খুব শিগগিরই দরপত্রের মাধ্যমে সিসিটিভি কেনা হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দেড় মাসের মধ্যেই এগুলো স্থাপন সম্পন্ন হবে।
বগুড়া পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট এ কে এম মাহবুবুর রহমান জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে অনুরোধের কারণেই শহরজুড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘নাগরিকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পুলিশ সুপার যে প্রস্তাব দিয়েছেন সেটি আমাদের কাছে যৌক্তিক মনে হয়েছে। তাই এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়েছে এবং সিসিটিভিগুলো পৌরসভার নিজস্ব অর্থে কেনা হবে।’