সিপিএলে চ্যাম্পিয়ন সাকিবের বার্বাডোজ

ক্যারিয়ারে আরও একটি শিরোপা জিতলেন সাকিব আল হাসান। টানা ১১ ম্যাচে অপরাজিত গায়ানা অ্যামাজনকে ফাইনালে ২৭ রানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ সিপিএল শিরোপা জিতে নিয়েছে তার দল বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টস। ব্যাট হাতে ১৫ বলে ১৫ রান করেছেন তিনি। বল হাতে ২ ওভারে ১৮ রান দিয়েছিলেন উইকেট শূন্য।

ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বার্বাডোজ অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। ৬ উইকেটে ১৭১ রান সংগ্রহ করে তারা। জবাবে গায়ানা ৯ উইকেট হারিয়ে করে ১৪৪। ওপেনার ব্রেন্ডন কিং ছাড়া কেউ রান করতে পারেননি। ৩৩ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। কেমো পল ২৫ ও নিকোলাস পুরান করেন ২৪।

জবাব দিতে নেমে হেমরাজ, শিমরন হেটমায়ার এবং অধিনায়ক শোয়েব মালিক আউট হলে চাপে পড়ে যায় গায়ানা। কিং যদিও একপ্রান্ত আগলে ছিলেন। তার সঙ্গে পুরান এবং কেমো পল কিছুটা চেষ্টা করেছেন। তবে জেতার জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। বার্বাডোজের হয়ে রেমন রেইফার একাই চার উইকেট নিয়ে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন। দুটি করে উইকেট নেন গারনে এবং নার্শ।

বার্বাডোজের হয়ে দুর্দান্ত সূচনা করেন জনসন চার্লস এবং অ্যালেক্স হেলস। ৫ ওভারে ৪৩ রান তুলে নেন। এরপর জনাথন কার্টারের ঝড়ো হাফ সেঞ্চুরি লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেয় সাকিদের দলকে। মাত্র ২৭ বলে ৫০ রানে অপরাজিত ছিলেন কার্টার। ইনিংসে চারটি বাউন্ডারি ও চারটি ছক্কা মেরেছেন তিনি। এরপর ১৫ বলে ১৫ রান করে হন রানআউট।

প্রথম দিকে কয়েকটা ম্যাচ হেরে যাওয়ায় বার্বাডোজের প্লে-অফে খেলাই সংশয়ে পড়ে যায়। তবে সাকিব যোগ দেওয়ার পরেই জিততে শুরু করে তারা। শেষ পর্যন্ত শিরোপাও জিতে নিল তারা। ৬ ম্যাচে ১১১ রান করেছেন তিনি। উইকেট নিয়েছেন ৪ উইকেট।

সিপিএলে এটা সাকিবের দ্বিতীয় শিরোপা। জ্যামাইকা তালওয়াসের হয়ে প্রথমটি জিতেছিলেন ২০১৬ সালে। এছাড়া আইপিএল জিতেছেন দুবার- ২০১২ ও ২০১৪ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে। আর বিপিএল জিতেছেন ঢাকার হয়ে দুবার- ২০১৩ ও ২০১৬ সালে।