ছাত্রদলের ওপর হামলা: মামুন-বুলবুলের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সম্পর্ক নেই

শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনকে তাদের পদ থেকে আগেই অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সম্পর্ক নেই।

রোববার রাতে এর আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানিয়েছেন।

দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কেন্দ্রীয় সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের নেতৃত্বে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয় । এতে ছাত্রদলের নয় নেতাকর্মী আহত হন।

এর প্রেক্ষিতে রোববার রাতে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের পক্ষ থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দীন বলেন, ১০ অক্টোবর বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার আশঙ্কায় যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর কুশপুত্তলিকা দাহ কর্মসূচি পালন না করতে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আহ্বায়কের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয়। কিন্তু আহ্বায়কের কথা অমান্য করে তারা (আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও আল মামুন) কুশপুত্তলিকা দাহ করে। ফলে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া করা হয়।

তিনি আরো বলেন, অব্যাহতি দেওয়ার পরও তারা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নাম ব্যবহার করে ঢাবিতে নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। রোববার দুপুরে তারা ঢাবির মধুর ক্যানটিনে তারা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে একটি অপ্রীতিকর ঘটনার জন্ম দেয়। কিন্তু তাদের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে গত বছর শাহবাগে গড়ে ওঠা মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে গত ১০ অক্টোবর মামুন-বুলবুলকে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে । তাই মামুন ও বুলবুলের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কোনো সম্পর্ক বা তাদের দ্বারা সংগঠিত অপ্রীতিকর ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই। তারা নিজেদের মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের  সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিয়ে সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট এবং নিজেদের হাসির খোরাকে পরিণত করছে।

এ বিষয়ে জানার জন্য মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তারা তা রিসিভ করেননি।