জবিতে শিল্পকর্ম প্রদর্শনী

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চারুকলা বিভাগের আয়োজনে শুরু হয়েছে বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনী। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবনের নিচতলায় এই প্রদর্শনী চলবে ২০-২৮ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শনী উন্মুক্ত থাকবে। প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন জবি চারুকলা বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এতে স্থান পেয়েছে ভাস্কর্য, ছাপচিত্র, চিত্রকলাসহ নানা শিল্পকর্ম।

গতকাল রবিবার সকালে এ প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন বিশ^বিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মিজানুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল। চারুকলা বিভাগের চেয়ারম্যান আলপ্তগীন তুষার, বিভাগের শিক্ষক রশীদ আমিন, ইমাম হোসেন সুমন,  রেজাউল সাদাৎ, মারুফ আদনান, জাহিদ, শরফুদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী, মাইনুদ্দিন আলীসহ বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

চারুকলা বিভাগের চেয়ারম্যান আলপ্তগীন তুষার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘দ্বিতীয়বারের মতো চারুকলা বিভাগ বার্ষিক শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। ২০ অক্টোবর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই প্রদর্শনী শুরু হলো। জবি দিবস উপলক্ষে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা রকম আয়োজন হচ্ছে। এর মধ্যে চারুকলা বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই শিল্পকর্ম প্রদর্শনী।’

গঙ্গা যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসবের পর্দা নামল

নাটক, সংগীত, আবৃত্তি মঞ্চায়নের মধ্য দিয়ে গতকাল রবিবার পর্দা নামল দশ দিনব্যাপী গঙ্গা যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসবের। সমাপনী দিনের আয়োজনে বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে মিলনায়তনের বহিরাঙ্গনের উন্মুক্ত মঞ্চে আবৃত্তি, সংগীত পরিবেশিত হয়। পরে সন্ধ্যা ৭টায় জাতীয় নাট্যশালার তিনটি মিলনায়তন এবং মহিলা সমিতির মঞ্চে নাটকের প্রদর্শনী হয়। পাশাপাশি শিল্পকলা একাডেমির সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে সংগীতানুষ্ঠান এবং আবৃত্তি প্রযোজনার মঞ্চায়ন হয়। উৎসবের শেষ দিনে জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে আরণ্যক নাট্যদল মঞ্চস্থ করে ‘ময়ূর সিংহাসন’, পরীক্ষণ থিয়েটার মিলনায়তনে সময় নাট্যদল মঞ্চস্থ করে ‘ভাগের মানুষ’ এবং স্টুডিও থিয়েটার মিলনায়তনে থিয়েটার ৫২ মঞ্চস্থ করে ‘নননপুরের মেলায় একজন কমলাসুন্দরী ও একটি বাঘ আসে’ নাটকটি। অন্যদিকে নাটক সরণির (বেইলি রোড) মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে থিয়েট্রন মঞ্চস্থ করে ‘সিচুয়ানের সুকন্যা’। সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে কণ্ঠশীলন মঞ্চস্থ করে আবৃত্তি প্রযোজনা ‘চাঁদ বণিকের পালা’ এবং আনন্দন পরিবেশন করে সংগীতানুষ্ঠান।