মালিককে কারাদণ্ডের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম নগরীতে পরিবহন ধর্মঘট

সড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ি নামানোর অপরাধে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালতে বাস মালিককে কারাদণ্ড দেওয়ার প্রতিবাদে রবিবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর ফলে সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব বেলায়েত হোসেন বেলাল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘শনিবার নগরীতে বিআরটিএ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে একজন চালক, হেলপারের পাশাপাশি একজন বাস মালিককেও অযৌক্তিকভাবে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে মালিকরা নিজেরাই সকাল থেকে রাস্তায় বাস নামাননি। এর সঙ্গে পরিবহন মালিক গ্রুপের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

সরেজমিন দেখা যায়, সকাল থেকেই নগরীতে কোনো যাত্রীবাহী বাস চলাচল করছে না। রাস্তার মোড়ে মোড়ে যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও কোনো গাড়ি পাচ্ছেন না। এ সুযোগে রিকশা, অটোরিকশাসহ অন্যান্য্য গাড়িগুলো যাত্রীদের এক প্রকার জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে নিচ্ছে।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ওয়াহিদুল হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণায় ছাড়া হঠাৎ করেই মালিকরা গাড়ি বন্ধ রেখেছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা হচ্ছে। আশা করি দ্রুত তা সমাধান হবে।

প্রসঙ্গত, শনিবার দুপুরে নগরীর বহদ্দার হাট এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বিআরটিএ ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মনজুরুল হক। এ সময় তিনি ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালানোর অপরাধে একটি বাসের মালিক, চালক ও হেলপারকে কারাদণ্ড দেন। এদের মধ্যে চালক ও হেলপারকে ১ মাস এবং মালিককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।