নকলা উপজেলার লাভা গ্রামে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার মামলায় গ্রামটি এখন পুরুষশূন্য। এখানকার নারীরাও এখন পুলিশ উপস্থিত হলে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায়। গ্রামটিতে চলছে এখন পুলিশ-আতঙ্ক।
পুলিশের ভাষ্য, গ্রামের একটি প্রেমঘটিত বিষয়ে সালিশ করতে গেলে ওই ঘটনায় একজন সালিশদার হিসেবে শ্যামল ও ঘটনার মূলনায়ক রিজনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন পার্শ্ববর্তী গৌরদার এলাকার এক তরুণী। এ ঘটনায় শ্যামলকে গত ১৯ অক্টোবর বিকেলে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে শ্যামল অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাকে পানি ঢেলে সুস্থ করার সময় গ্রামবাসী তাকে ‘ছিনিয়ে’ নিয়ে যায়। পুলিশ আসামি ছিনতাইয়ের অভিযোগে ৮০ গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা এবং চার নারীসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রামবাসীর দাবি, শ্যামল অজ্ঞান হয়ে গেলে তার হাতের হাতকড়া খুলে দেয় পুলিশ। গ্রামবাসী তাকে পানি ঢেলে সুস্থ করলে মানুষের জটলায় সে পালিয়ে যায়। গ্রামবাসী আরও বলে, পুরুষশূন্য হওয়ায় বাড়ি, দোকান ও পুকুরের মাছ চুরি হচ্ছে।
এ বিষয়ে শ্যামলের পরিবার ও গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে গত সোমবার দুপুরে শেরপুর জেলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এ সময় শ্যামলের ভাই মোকছেদুল ইসলাম বলেন, টাকা দেওয়ার কথা বললে পুলিশ শ্যামলকে ছেড়ে দেয়। এরপর মাত্র দেড় বছরের শিশুসন্তানসহ শ্যামলের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলাম বলেন, গ্রামবাসী যে অভিযোগ করেছে তা সত্য নয়।