কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে হাবিবুর রহমান (৩৬) নামের এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় হাবিবুরকে রক্ষা করতে গিয়ে আরও ৩ জন আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার ভোর রাতে উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের ভাট্টা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত হাবিবুরের স্ত্রী গুরুতর আহত শারমিন আক্তার ও প্রতিবেশী তোফা চানকে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গতকাল দুপুরে শারমিন আক্তার বাদী হয়ে কটিয়াদী থানায় হত্যা মামলা করেন। নিহত হাবিবুর রহমান ভাট্টা গ্রামের মৃত মতি মিয়ার ছেলে। তিনি ঢাকায় কাঁচামালের ব্যবসা করতেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, চাচাতো ভাই আল আমিন তার দলবল নিয়ে শেষ রাতে সিঁধ কেটে হাবিবুর রহমানের ঘরে ঢোকে। পরে হাবিবুরকে ঘুমন্ত অবস্থায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। এ ঘটনা দেখে তার স্ত্রী শারমিন আক্তার চিৎকার শুরু করলে দুর্বৃত্তরা তাকেও কুপিয়ে জখম করে। এ সময় আশপাশের ঘর থেকে হাবিবুরকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে বাইরে অবস্থানরত তোফা চান (৩০) ও জুনায়েদ (৫৫) নামের আরও দুজনকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয় লোকজন হাবিবুর রহমানকে উদ্ধার করে বাজিতপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।