মানসিক সুস্থতার জন্য গান

কখনো বদ্ধ ঘরে গুনগুন করে গান গাননি– এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। মন ভালো থাকলে, একা একা কাজ করলে মনের মধ্যে প্রিয় গানের কলি যেন হুটহাট চলে আসে। গান গাইতে গাইতে কাজ আনন্দের সঙ্গে করা যায়। গবেষকরা বলছেন, গান গাইতে গাইতে শুধু কাজ হয়ে যাওয়াই নয়, এর রয়েছে আরও অনেক উপকারিতা।

মন ভালো রাখে

গান কিন্তু গাওয়া হয় ভালো লাগা থেকেই। আর বিভিন্ন গবেষণাতেও এটি প্রমাণিত যে, গান গাইলে রক্তের করটিসল হরমোনের লেভেল কম থাকে। যার কারণে ক্লান্তি কমে গিয়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজ অনুভূত হয়।

উচ্চারণ স্পষ্ট হয়

কথা বলতে যদি শব্দ উচ্চারণে কোনো সমস্যা হয় তবে তিনি মন খুলে গান গাইতে পারেন। কারণ গান গাওয়ার সময় শব্দগুলো পাশাপাশি সাজানোই থাকে। আর গানে কথা আটকে যায় না বা উচ্চারণেও সমস্যা হয় না। শুধু তাই নয়, পারকিনসন ডিজিজে আক্রান্ত ব্যক্তি, ব্রেনের জটিলতায় ভুগছেন এমন কেউ, এমনকি অটিজমের রোগীদের জন্যও গান খুব উপকারী।

বন্ধু তৈরি হয়

কখনো খেয়াল করে দেখেছেন গান গাইতে গাইতে আপনি ছোটবেলার স্মৃতিতে পৌঁছে গেছেন কিনা? এমনটি হলে বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। গান প্রতিটি মানুষের অনুভূতির সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত হওয়ায় এমনটি হয়। এমনকি গান গাইতে গাইতে আপনি বন্ধুও বানিয়ে ফেলতে পারেন। কারণ গান ভালোবাসে এমন মানুষদের সঙ্গে দ্রুত সখ্য তৈরি হবে আপনার।

ক্যানসার রোগীদের জন্য উপকারী

একজন ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর জন্য নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করা খুব স্বাভাবিক একটি বিষয়। গবেষণা বলছে, আপন মনে গান গাইলে শুধু মন ভালো থাকে তাই নয়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতারও উন্নতি হয়।

ডিমেনশিয়ার সমস্যায় উপকারী

যেসব ব্যক্তি ডিমেনশিয়া নামক জটিল রোগে ভুগছেন তাদের জন্য গান খুব উপকারী। গানের কারণে পুরনো অনেক কথা তার মনে পড়তে পারে।