লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা ও স্থানীয় তোরাবগঞ্জ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা। গত রবিবার রাত সাড়ে ৮টায় পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা উপজেলার তোরাবগঞ্জ বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করে।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের ওয়ার্ড কমিটিগুলোতে টাকার বিনিময়ে মাদক কারবারি ও জামায়াত-শিবির থেকে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারীদের পদ দেওয়ায় সমাবেশে ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন পদবঞ্চিত আওয়ামী লীগ নেতারা।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মোল্লা, ২নং ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার, সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী নুরুল ইসলাম, ৭নং ওয়ার্ডের সভাপতি পদপ্রার্থী গোলাম মাওলাসহ নেতাকর্মীরা।
তোরাবগঞ্জ ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মতিন বলেন, ১নং ওয়ার্ডে সভাপতি পদে প্রার্থী ছিলাম। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আমিন মাস্টার আমার কাছে একটি দোকানঘর দাবি করেছিলেন। কিন্তু দিতে রাজি হইনি, তাই আমাকে পদবঞ্চিত করা হয়েছে।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, পদ দেবে বলে তোরাবগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির মেম্বার আমার কাছ থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা নিয়েছে। কিন্তু অন্যজনের কাছ থেকে আরও বেশি টাকা নিয়ে আমাকে পদবঞ্চিত করেছে।
৪নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী নুরুল ইসলাম বলেন, পদের জন্য নাছির মেম্বার আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন।
অভিযোগ বিষয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহে আলম বলেন, টাকা চাওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। পদবঞ্চিত হওয়ায় তারা আমার বিরুদ্ধে এসব রটিয়েছে।
কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি একেএম নুরুল আমিন বলেন, পদবঞ্চিত হওয়ায় তারা মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে।
কমলনগর থানার ওসি নুরুল আবছার বলেন, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।