ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় উপকূলীয় উখিয়া ও টেকনাফে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন। এখানে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। ঘূর্ণিঝড় আতঙ্কে আছে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড় ও বন কেটে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা।
উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা শিবিরের ‘হেড মাঝি’ আবদুর রহিম ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে গতকাল শনিবার সকালে ক্যাম্পে বৈঠক করেছেন। এ ছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মসজিদে মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক করা হয়। পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসতিদের নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য বলা হয়।
উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প ম্যানেজমেন্ট কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুর বলেন, ক্যাম্প এলাকার পাহাড়ে বিপুল পরিমাণ রোহিঙ্গা শরণার্থীর অবস্থান। এসব রোহিঙ্গার মাঝে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। ইতিমধ্যে সেনাবাহিনী ২০ হাজার রোহিঙ্গা যুবককে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিয়োগ করেছে। এ ছাড়া জেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি এনজিও এবং আইএনজিওগুলোর সঙ্গেও মাঠপর্যায়ে আপৎকালীন সময়ের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ সামসুদ্দৌজা জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রেডক্রস, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, দমকল বাহিনী, বিভিন্ন এনজিও সংস্থার কর্মীরাসহ রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবীকে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে।