গোলাপি বলের বৈশিষ্ট্য

আকর্ষণের কেন্দ্রে গোলাপি বল। ইডেন গার্ডেনসে রাতে ফ্লাডলাইটের আলোয় কেমন দেখা যাবে এই বল? সুইং ভালো হবে কিনা? বাউন্স কি লাল বলের চেয়ে বেশি হবে? এই প্রশ্নগুলোই ঘুরেফিরে আসছে বাংলাদেশ আর ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের মাথায়। বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেছেন গোলাপি বল রাতে দেখার সমস্যা নেই। বল টিকেও থাকে লম্বা সময়। তাছাড়া গোলাপি বল উজ্জ্বল রাখার জন্য হাতে বোনার পর এতে বিশেষ ধাতুর স্তর বা ‘ল্যাকার’ দেওয়া হয়। শুকিয়ে যাওয়ার পর করা হয় পালিশ। বেশি পালিশ করার কারণে গোলাপি বল অন্য বলের তুলনায় উজ্জ্বল। ফলে সুইংও করে বেশি। তাছাড়া লাল বলের দ্বিগুণ সময় লাগে গোলাপি বল তৈরিতে। একটা গোলাপি বল তৈরি করতে সাত-আট দিন সময় প্রয়োজন। অন্য রঙের চামড়া শুকিয়ে তার ওপর রং করে এই বল তৈরি হয়। লাল বলের চেয়ে গোলাপি বলের সিম বা সেলাই বেশি চওড়া। ফলে বেশি বাউন্স হয়। এসজি বলের মার্কেটিং ডিরেক্টর পরশ আনন্দ বলেছেন, ‘দুটি জিনিস আমরা জানাতে চাই- প্রথমত গোলাপি বলের সিম যেন লাল বলের মতোই থাকে। আর দ্বিতীয়ত বল যেন শক্ত থাকে। গোলাপি বল তৈরির সময় সংক্ষেপে এই পরামর্শই বিসিসিআই আমাদের দিয়েছিল।’ তবে গোলাপি বলের নেতিবাচক দিকও আছে। এই বলে রিভার্স সুইং করা মুশকিল। এখনো পর্যন্ত ১১টা গোলাপি বলের টেস্ট খেলা হয়েছে। যেখানে পেসাররা ২৫৭ উইকেট নিয়েছেন। মাত্র ৯৫ উইকেট পেয়েছেন স্পিনাররা। ইডেনে পেসার না স্পিনাররা সফল হবেন? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে আপনাকে শুক্রবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।