তু চিজ বড়ি হ্যায় ভ্রষ্ট ভ্রষ্ট

দলদাসবৃত্তির অভিযোগে দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান নির্বাচন কমিশনার/নির্বাচন কমিশনারদের কেউ কেউ ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন, ভবিষ্যতেও এই নিক্ষেপণ ধারা অব্যাহত থাকারই কথা। নিক্ষিপ্ত হওয়ার ধনুর্ভঙ্গ পণ নিয়ে যারা যোগ দেন, তাদের কারোরই ভারতের একদা প্রধান নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশান প্রসঙ্গ এলে স্বিস্তবোধ করার কথা নয়। যে আমলাতন্ত্র অনেক ড়্গেত্রেই ‘পার্ট অব দ্য সলিউশন’ না হয়ে ‘পার্ট অব দ্য প্রবলেম’-এ পরিণত হয়, জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে; যে আমলাদের কষে গাল দিয়ে রাজনীতিবিদ দুটি বাড়তি পয়েন্ট অর্জন করেন, টি এন সেশান কিন্তু সেখান থেকেই উঠে এসেছেন। ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসের ১৯৫৫ ব্যাচের এই কর্মকর্তা পদোন্নতির সোপান পেরিয়ে ১৯৮৯ সালে ভারতের মন্ত্রিপরিষদ সচিব নিযুক্ত হন, ১৯৯০ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত ছয় বছর তিনি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন–এ সময় নির্বাচন সংস্কারক হিসেবে তার সুখ্যাতি প্রবাদপ্রতিম হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে তার কিছু কিছু কথা মুখে মুখে ঘুরতে থাকে। বলিউড সিনেমার সুপারহিট হিন্দি গানটি বাংলাদেশে আমরাও শুনেছি–পা নি সা নি সা মা পা/তু চিজ বড়ি হ্যায় মস্ত মস্ত...। গানটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশানের শ্রবণকে এড়িয়ে যেতে পারেনি, হয়তো তিনি মনে মনে সুরটি ভেজেছেনও। কিন্তু যখন রাজনৈতিক নেতৃত্বের শঠতার প্রশ্নটি এলো, তিনি সেই সুরেই বলে দিলেন, ‘তু চিজ বড়ি হ্যায় ভ্রষ্ট ভ্রষ্ট’। এই ভ্রষ্ট মানে স্খলিত, অসৎ, দুশ্চরিত্র। টি এন সেশানেরই সাহসী উক্তি: আপনারা কি মনে করেন–গণতন্ত্রের ওপর ডাকাতি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি আমি রাজনীতিবিদদের দিতে পারি? এই ডাকাতি মূলত ভোট ডাকাতি, যা রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি অবিভাজ্য অংশ হয়ে উঠেছিল–নব্বইয়ের দশকে সেই সংস্কৃতির অনেকটাই এককভাবে পাল্টে দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশান।

* * *

টিরুভিল্লাই নারায়ণা আইয়ার সেশান ১০ নভেম্বর ২০১৯ তার চেন্নাইয়ের বাড়িতে প্রয়াত হন। তার জন্ম ১৫ ডিসেম্বর ১৯৩২ মাদ্রাজের কালঘাট, বাবা জেলা আদালতের আইনজীবী ছিলেন; ছয় সন্তানের তিনি কনিষ্ঠজন। তিনি পদার্থ বিজ্ঞানের কৃতী ছাত্র, মাদ্রাজ ক্রিশ্চিয়ান কলেজ থেকে উত্তীর্ণ হয়ে এখানেই ১৯৫০ থেকে ১৯৫২ পদার্থ বিজ্ঞানের প্রভাষক ছিলেন। ১৯৫৩ সালে ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও যোগদান করেননি। ১৯৫৪ সালের আইএএস পরীক্ষায় প্রথম হয়ে উত্তীর্ণ হন এবং ১৯৫৫ সালে তামিলনাড়ুতে যোগ দেন। ১৯৬২ থেকে তিন বছর মাদ্রাজের পরিবহন পরিচালকের দায়িত্ব পালনের পর মাদুরাই জেলায় কালেক্টর পদে যোগ দেন; ১৯৭৬-এ তামিলনাড়ুর শিল্প ও কৃষিসচিবের দায়িত্ব পালনকালে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মতানৈক্য ঘটে যাওয়ায় তিনি দিল্লি ফিরে আসেন এবং ভারতের মহাকাশ ও বন মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নর্মদা নদীর ওপর তেহরি বাঁধ এবং সর্দার সারোভার বাঁধ নির্মাণের প্রস্তাবে বাধা দেন, কিন্তু তা নাকচ হয়ে যায়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে কিছুকাল দায়িত্ব পালন করার পর তাকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব করা হয়। কিন্তু মতবিরোধ তাকে নামিয়েও দেয়, তিনি পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হয়ে তিনি বললেন, ‘রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা আমার নেই সত্যি, কিন্তু ভারতে যেভাবে নির্বাচন পরিচালিত হয়, সেটা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা আমার আছে।’

সেশানের এই অবিরাম লেগে থাকা ভারতীয় নির্বাচনব্যবস্থার জমে থাকা অনেক আবর্জনা এবং কমিশনকে ক্ষমতাসীন দলের প্রয়োজনে আজ্ঞাবহের মতো কাজ করার সংস্কৃতি একক প্রচেষ্টায় বদলে দেন। তাকে যারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদে বসিয়েছেন, তারাও তাকে নিয়ে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন এবং তার ডানা কেটে দেওয়ার জন্য দলদাস যুগ্ম নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয় সরকার। সেশান রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে সরকারের উদ্যোগকে আদালতে দাঁড় করান, সুপ্রিম কোর্ট যুগ্ম নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের উদ্যোগ নাকচ করে দেয়। যে সময় ভারতের সুপ্রিম কোর্টকে সরকারের নিতান্ত অনুগতই মনে করা হতো–এমন একজন লড়াকু মানুষের মর্যাদা রক্ষায় আদালতও নিজেকে বিতর্কিত করেনি।

প্রধানমন্ত্রী ভি পি নরসীমা রাওয়ের প্রশ্নের জবাবে টি এন সেশান বলেন, প্রধানমন্ত্রী আর প্রেসিডেন্টের পদ ছাড়া আমি আর কী চাইতে পারি। কিন্তু এ দুটো পদও তো আপনাদের দখলে। তিনি বলেছিলেন, আমাকে দশ বছর সময় দিন, আবার ভারতকে আমি মহান ভারতই বানাব, কিন্তু আমাকে গ্রহণ করার সাহস কি আপনাদের আছে? লাল বাহাদুর শাস্ত্রী অ্যাকাডেমিতে নতুন যোগ দেওয়া ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসের সদস্যদের বলেছিলেন, এখন থেকেই তোমাদের জানতে হবে–কোনো কোনো পানওয়ালাও তোমাদের চেয়ে বেশি কামাই করবে! অর্থাৎ নিজের আর্থিক অবস্থার একটি ভবিষ্যৎ চিত্র মাথায় রেখে যদি দেশসেবা করতে চাও, তো ভালো, নতুবা এখনই ছেড়ে দাও। অ্যাকাডেমিতে সেশানকে আর আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। তিনি যখন ছবিযুক্ত ভোটার আইডি কার্ডের ওপর জোর দিলেন, রাজনীতিবিদরা তার সমর্থনে এলেন না–বিরোধিতা করলেন। টি এন সেশানও জানিয়ে দিলেন, তাহলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তার বিদায়ের পর। তিনি একের পর এক নির্বাচন পেছাতে শুরু করলেন, একপর্যায়ে সরকার নমনীয় হয়ে ভোটার কার্ডের দাবি মেনে নিল। জনসেবার স্বীকৃতি তাকে এনে দিয়েছে র্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, আমার অ্যাকাউন্টে একটিও ‘ভুল রুপি’ পাবেন না। তিনি নিজেই বলেছেন, কেবিনেট সেক্রেটারি থেকে সরিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য করার পর জনতা দলের নেতা সুব্রামানিয়াম স্বামী তাকে নির্বাচন কমিশনে বসাতে উদ্যোগ নিয়েছেন। চেয়ারে বসেই তিনি ইলেকশন ম্যালপª¨াকটিস এবং নির্বাচন অবৈধভাবে প্রভাবিত করা নেতাদের বিরুদ্ধে কৌশলগত জিহাদ ঘোষণা করলেন। ১৯৯৩ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি পরিদর্শক সিইসিদের মতো হাওয়া খেয়ে ঘুরে বেড়াননি, সার্বক্ষণিক কেন্দ্রীয় কন্ট্রোলরুমে থেকে তা পরিচালনা করেছেন। সেশান ছিলেন বলেই মিথ্যা বিবৃতিদাতা ১৪,০০০ প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করা সম্ভব হয়েছে। ১৯৯২ সালে তিনি যখন পাঞ্জাব ও বিহারের নির্বাচন বাতিল করলেন, তাকে ‘ইমপিচ’ করার জন্য উঠেপড়ে লাগলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, রাজনীতিবিদদের প্রণয়ন করা আইনে কমা, সেমিকোলন বা দাঁড়ি–কিছুই তিনি যোগ করেননি। তিনি কেবল তাদের যত্নেগড়া আইনটাই বাস্তবায়ন করেছেন। এ প্রত্যাশা দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশেই–প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনার, জয়েন্ট নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনের আওতাধীন সবাই সেশানের মতো আইনটাই বাস্তবায়ন করবেন, দলদাসে পরিণত হবেন না, দলদাসত্বই গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। ‘চল্লিশ ও পঞ্চাশের দশকের প্রথম ভাগ পর্যন্ত মানুষ রাজনীতিতে আসতেন দুটি উদ্দেশ্যে–সেবা করতে এবং আত্মত্যাগ করতে। পেশাগত জীবনে উজ্জ্বল ব্যারিস্টার জওয়াহেরলাল নেহরু তার পেশা বলি দিয়ে রাজনীতিতে এসেছেন–একালে কে কি বিসর্জন দিয়ে রাজনীতিতে এসেছেন?...খারাপ টাকা যেমন ভালো টাকাকে হটিয়ে দেয়, তেমনি খারাপ রাজনীতিবিদও ভালো রাজনীতিবিদকে হটিয়ে দেন।’ সেশান ক্রিমিনাইলাইজেশন অব পলিটিক্স’কে দেখছেন স্বার্থান্ধ রাজনীতিবিদদের কৌশল হিসেবে। সেশানের জীবনের একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ সাফল্য এনে দেয়নি; ১৯৯৭-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি কে আর নারায়ণনের কাছে হেরে গেছেন। টি এন সেশানের একটি সাক্ষাৎকার থেকে তার চাকরি জীবনের একটি অ্যাপিসোড তুলে ধরছি। এতে আমলাতন্ত্রের একটি ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠবে–

টি এন সেশান: একটি কাহিনী

একদিন গুরুত্বপূর্ণ একজন সকাল ১০টায় একটা কাজ করে দেওয়ার জন্য আমাকে বললেন। আমি বললাম, না। সকাল সোয়া ১০টায় আমাকে পল্লী উন্নয়নের উপসচিব থেকে অর্থের উপসচিব হিসেবে বদলি করা হলো। পৌনে ১১টায় আমাকে আরেক দফা বদলি করা হলো ক্ষুদ্র সঞ্চয় দপ্তরে; পৌনে ৫টায় আমি যখন বাড়ি যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি, তখন আমাকে করা হলো ডিরেক্টর হিউম্যান ওয়েলফেয়ার, যখন বাসায় ফিরলাম চিফ সেক্রেটারি আমাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করলেন, ‘সেশান তুমি কি কৃষ্ণগিরি চেনো?’ আমি বললাম, ‘জি স্যার।’ তিনি বললেন, ‘তুমি কৃষ্ণগিরি যাচ্ছো।’ আমি বললাম, ‘ঠিক আছে স্যার।’ তাহলে আমাকে কৃষ্ণগিরি পাঠানো হচ্ছে সালেম জেলাটা দুই ভাগ করা হবে, সালেম ও কৃষ্ণিগিরি। আমি নতুন জেলা কৃষ্ণগিরির কালেক্টর। তিনি বললেন, ‘কেমন করে সেখানে যাবে?’ ‘স্যার একটা ব্যবস্থা করে নেব। ট্রেন কিংবা গাড়ি।’ তিনি বললেন, আমি সে কথা বলিনি। কৃষ্ণগিরিতে তো কালেক্টরের বাড়ি নেই।’ ‘সেটাই তো হওয়ার কথা, এখনো তো জেলা হয়ে ওঠেনি।’ তিনি বলেই চলেছেন, আমি ভাবলাম একটু না রূঢ় হই। যখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘তাহলে তোমার স্ত্রী কী করবেন?’ আমি জবাব দিলাম, ‘সেটা সরকারের মাথাব্যথা নয়।’ পরদিন সাড়ে ১০টায় অফিসে ঢzকে বার্তা পাই, চিফ সেক্রেটারি জরুরি ভিত্তিতে আমাকে ডেকেছেন, আমাকে তার সঙ্গে দেখা করতে হবে। আমি তার রুমে গেলাম। তিনি বললেন, ‘সেশান তুমি আর ভেঙ্কটরামনকে কতটা চেনো?’ (রামস্বামী ভেঙ্কটরামন তখন মন্ত্রী, পরবর্তী সময় ভারতের রাষ্ট্রপতি) আমি, ‘স্যার আমি জানি মিস্টার ভেঙ্কটরামন ক্ষমতাশালী মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের একজন (কামরাজ তখন অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদে মোট সদস্য আটজন)। ‘তাকে শেষ কবে দেখেছো?’ ‘দুমাস আগে, ডেভেলপমেন্টের কমিটির বড় সভায়, আমি ছিলাম আমার সচিবের প্রধান ফাইল বহনকারী।’ ‘তোমার সঙ্গে সেখানে তার কথা হয়েছে?’ ‘না স্যার, সচিবের কাছে নথি হস্তান্তরের জন্য তিন-চার ঘণ্টা দাঁড়িয়েছিলাম।’ তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন, ‘গতরাতে তার সঙ্গে তোমার দেখা হয়েছে?’ ‘না, স্যার।’ ‘আজ সকালে দেখা হয়েছে?’ ‘না স্যার।’ ‘ভেঙ্কটরামন তাহলে তোমাকে চেনেন কেমন করে?’ ‘স্যার এই প্রশ্নটি আমাকে জিজ্ঞেস না করে তাকে জিজ্ঞেস করাটাই কি সঠিক হবে না?’ ‘ভেঙ্কটরামন তোমাকে ট্রান্সপোর্ট বিভাগের ডিরেক্টর করতে বলেছেন। তিনি তোমার সম্পর্কে কেমন করে জানেন?’ ‘স্যার আমি কখনো তাকে ট্রান্সপোর্টের চাকরিতে আমাকে নেওয়ার জন্য বলিনি।’ আমি দরজা পর্যন্ত চলে গিয়ে আবার ফিরে আসি এবং বলি, ‘স্যার ১৫ মিনিটের মধ্যেই কোনো না কোনো প্রশ্ন করার জন্য আপনি আমাকে আবার ডাকতে পারেন। আপনি আমাকে যে প্রশ্ন করেছেন, এ প্রশ্নের বোঝা থেকে আপনাকে বের করে আনার জন্য বলছি–আমার নিজের ভাই-ই ভেঙ্কটরামনের শিল্পসচিব। আমি যেদিন চাকরিতে যোগ দিই, সেদিনই তার সঙ্গে আমার চুক্তি হয়, আমার চাকরি নিয়ে মাথা ঘামাবেন না; কাজেই আমার ভাই তাকে কিছু বলেননি, আমিও ভেঙ্কটরামনের কাছে কিছু বলার জন্য তাকে অনুরোধ করিনি। আমার পোস্টিং নিয়ে কিছু বলার ধৃষ্টতা তিনি দেখাবেন না। আপনি চাইলে আমি কৃষ্ণগিরি রওনা হওয়ার জন্য তৈরি আছি, আমি যাব।’ পরের তিন বছর কেটেছে ট্রান্সপোর্টে, আমি বাস চালিয়েছি।

* * *

সেশান প্রয়াত। তার মুখের সেই ‘তু চিজ বড়ি হ্যায় ভ্রষ্ট ভ্রষ্ট’-এর রাজত্ব ভারত জুড়ে, দক্ষিণ এশিয়ার কোথাও কোথাও।


লেখক

সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও কলামনিস্ট
momen98765@gmail.com